নগরীতে এবার গরুর মাংস বিক্রেতার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ার বিক্রেতার দোকানপাট ভাংচুরও করা হয়। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন, মো: সাইফুল্লাহ তারেক, জিয়াউর রহমান জিয়া, মো: আনোয়ার হোসেন ও মো: দেলোয়র হোসেন নিকারী।
এজাহারের সূত্রে জানা গেছে, মাংস বিক্রেতা আরমান শেখ খানজাহান আলী থানার গফ্ফার ফুডের পাশে সড়কের ওপর প্রতি শুক্রবার গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করেন। ২১ সেপ্টেম্বর মামলার প্রধান আসামির নির্দেশে অপর আসামি মো: দেলোয়ার হোসন মাংস বিক্রেতা আরমানের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে।
এ সময়ে দিতে অপারগতা জানালে দেলোয়ার হোসেন জানায় এখানে ব্যবসা করতে হলে টাকা দিতে হবে বলে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। এরপর ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে আনোয়ার শেখ ও জিয়া আবারও ওই ব্যবসায়ীর কাছে এসে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা না দিলে তাকে প্রতি সপ্তাহে গরু জবাই দিলে তিন কোজি গরুর মাংস দিতে হবে। মাংস বিক্রেতা এর প্রতিবাদ করে।
এ সময় তিনি তাদের তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি স্থানীয় ছেলে হালালভাবে ব্যবসা করি। কাউকে কোনো চাঁদা দিতে পারব না। এ কথা বলার পর পর তাদের সাথে মাংস বিক্রেতার বাকবিতন্ডা হয়। এ সময় তারা ব্যবসায়ীর মাংস কাটার খাটিয়া সরিয়ে ফেলে।
এ ঘটনার তিনদিন পর রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় সাইফুল্লাহ তারেকের নেতৃত্ব উল্লিখিত আসামিসহ আরও ৮-১০জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি চৌকি ফেলে দিয়ে ভাংচুর করে। এতে মাংস বিক্রেতার প্রায় ৬ হাজার টাকার ক্ষতি হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাইফুল্লাহ তারেক ব্যবসায়ীর চোখ তুলে নেওয়ার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় তিনি মামলা দায়ের করেন।
খানজাহান আলী থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল বাশার বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। তদন্ত চলছে। আসামি যেই হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

