নগরীতে অস্ত্র ও গুলিসহ পলাশের স্ত্রী টিকলি মাক্কি রানীকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সোনাডাঙ্গা থানার গোবরচাকা এলাকার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া বলেন, রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি চিংড়ি পলাশের বাড়িতে কয়েক সন্ত্রাসী অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তার বাড়ি ঘিরে ফেলে। এ সময় ওই বাড়ি থেকে তিনটি বিদেশি পিস্তল, ৯ রাউন্ড গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। বাড়ি থেকে সন্ত্রাসী চিংড়ি পলাশের স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে জানায় স্বামী পলাশ গ্রেপ্তার হওয়ার পর দুইটি সন্তান নিয়ে ঢাকায় চলে যায়। এরপর সেখানে একটি গার্মেন্টেসে চাকরি করতে থাকে। স্বামীর সংসারে আর সে ফিরতে চায়নি। পরে তার ভাসুর স্বামীর জামিনের মিথ্যা তথ্য দিয়ে তাকে খুলনায় নিয়ে আসে। সে এর সাথে জড়িত নয় বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে।
ডিবি’র এ কর্মকর্তা বলেন, পলাশের বাড়ি থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছে। তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হবে। তবে ধারণা করছে সন্ত্রাসী পলাশের বড় ভাইয়ের সংগ্রহে এ অস্ত্র ছিল।
সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর যশোর থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী পলাশ তালুকদার ওরফে চিংড়ি পলাশকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৬। বর্তমানে সে কারাগারে আছে। চিংড়ি পলাশ মূলত খুলনা ও আশপাশের জেলাগুলোর চিংড়ি ঘের মালিকদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করতো। তার বিরুদ্ধে মোট ১২টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে সোনাডাঙ্গা থানায় ৮টি হত্যা মামলা আছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজি, মারামারি ও বিস্ফোরক আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।
খুলনা গেজেট/সাগর/এনএম

