খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ন্যক্কারজনক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাংবাদিকদের উপর এ ধরনের হামলা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। যারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত, তারা আইনের শাসন ও বাক্ স্বাধীনতার শত্রু। সাংবাদিকরা যদি নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত থাকেন, তবে তা মুক্ত সাংবাদিকতার পথকে সংকুচিত করে দেয়। তিনি সকল সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করে বলেন, বিগত দিনে এ সব হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার হলে সন্ত্রাসীরা আজ এমন ন্যক্কারজনক হামলা করার সাহস পেত না।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদ ও তার দোসররা সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলার জন্য একের পর এক ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তার অংশ হিসেবে খুলনায় সাংবাদিক মতি, টুটুল, আওয়াল ও রানা কবীরের উপর হামলা করেছে। অবিলম্বে এ হামলার সাথে জড়িত দুর্বৃত্তদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে, খুলনা মহানগরীতে কর্মরত সকল সাংবাদিকের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তদের গুলিবর্ষণের প্রতিবাদ ও হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বুধবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
মো. রাশিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং আব্দুর রাজ্জাক রানা ও আশরাফুল ইসলাম নূরের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তৃতা করেন বিসিবি পরিচালক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, বিএফইউজের সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন ও খুলনাঞ্চল সম্পাদক মিজানুর রহমান মিল্টন, মো. নূরুজ্জামান, মো. এরশাদ আলী, কে এম জিয়াউস সাদাত, রফিউল ইসলাম টুটুল, কৌশিক দে, আবুল হাসান হিমালয়, এম এ হাসান, কাজী শামীম আহমেদ, কনক রহমান, আহমদ মুসা রঞ্জু, মাকসুদ আলী, সোহেল মাহমুদ, আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, কামরুল আহসান, নিয়ামুল হোসেন কচি, শেখ আল এহসান, নূর ইসলাম রকি প্রমুখ।
খুলনা গেজেট/এএজে

