পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবে মন্ত্রণালয়

খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের প্রস্তাবে ঐকমত্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস চালুর প্রস্তাবে ঐকমত্য প্রকাশ করেছেন খুলনা বিভাগের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও প্রবীণ চিকিৎসকরা।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এন এম মঈনুল ইসলামের নেতৃত্বে খুলনা আসা প্রতিনিধি দলকে দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান তারা। প্রতিনিধি দলটি হাসপাতালটি ঘুরে দেখেন এবং মন্ত্রণালয়ে দ্রুত প্রতিবেদন প্রদানের আশ্বাস দেন। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়ই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবেন বলে জানান।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২১ সালে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হলেও অস্থায়ী ক্যাম্পাসের অভাবে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম এখনও চালু হয়নি। গত জুন মাসে বিশেষায়িত হাসপাতালে অস্থায়ী ক্যাম্পাস চালুর প্রস্তাব পাঠান উপাচার্য অধ্যাপক ডা. রফিকুস সালেহীন। প্রস্তাবের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (হাসপাতাল অনুবিভাগ) এ এন এম মঈনুল ইসলাম গতকাল বৃহস্পতিবার খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতাল পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

তিনি হাসপাতালের বহির্বিভাগ পরিদর্শন করে সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলেন, “সেবার মান পর্যবেক্ষণ করেন এবং অস্থায়ী প্রশাসনিক কার্যালয় হিসেবে ব্যবহারের জন্য সম্ভাব্য বিভিন্ন অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।”

মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন খুমেবি এর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. রফিকুস সালেহীন। তিনি খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালকে অস্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে ব্যবহারের পক্ষে বিস্তারিত যুক্তি উপস্থাপন করে বলেন, “এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও গতিশীল হবে এবং চিকিৎসা শিক্ষা, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হবে।”

এরপর একই ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনার বিভিন্ন দিক নিয়ে অংশীজনেরা তাদের মতামত তুলে ধরেন।

তারা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করতে সরকারের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন এবং বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট উপস্থাপনের জন্য অতিরিক্ত সচিবের কাছে অনুরোধ জানান।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালের পরিচালক, খুলনার সিভিল সার্জন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন