সৎ, নিষ্ঠাবান কর্মী বান্ধব রাজনৈতিক নেতা ছিলেন মঞ্জুরুল ইমাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, শহীদ এ্যাড. মঞ্জুরুল ইমাম  সৎ, নিষ্ঠাবান কর্মী বান্ধব নেতা ছিলেন। তিনি কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দিতেন না। সমস্ত লোভ লালসার উর্ধ্বে থেকে তিনি রাজনীতি করেছেন। তিনি খুলনার সাধারণ মানুষের কাছে খুব জনপ্রিয় একজন নেতা ছিলেন। তিনি না থাকায় খুলনার যে ক্ষতি হয়েছে তা পূরণীয় নয়।
তিনি আরো বলেন, বিএনপি জামায়াত জোট সব সময় আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে। এরই অংশ হিসেবে ২০০৩ সালের ২৫ আগস্ট সকালে এ্যাড. মঞ্জুরুল ইমাম যখন রিক্সাযোগে কোর্টের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন তখন বিএনপি জামায়াতের লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীদের আক্রমনের শিকার হন এই কর্মীবান্ধব ও সততার প্রতীক। এসময় তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এতদিনে এই নৃশংস হত্যাকান্ডের বিচার না হওয়া আমাদের জন্য কষ্টকর। অতি দ্রুত এই হত্যা মামলার পুন:তদন্ত পূর্বক বিচার এখন খুলনাবাসীর প্রাণের দাবী।
শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর শহীদ শেখ আবু নাসের মাধ্যমিক বিদ্যালয় অডিটরিয়ামে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সাবেক সদস্য ও খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এ্যাড. মঞ্জুরুল ইমামের ১৯তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা। সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ কামাল, প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, মোঃ শফিকুর  রহমান পলাশ, মোঃ মোক্তার হোসেন, নূর জাহান রুমি, চ ম মজিবর রহমান, শেখ আবিদ উল্লাহ, এ্যাড. আল আমিন উকিল, কামরুল ইসলাম, মোঃ রুম্মান আহমেদ।
সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশার পরিচালনায় এসময়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আলমগীর কবির, শেখ মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, কামরুল ইসলাম বাবুল, শেখ নুর মোহাম্মদ, এস এম আকিল উদ্দিন, অধ্যাপক এ বি এমন আদেল মুকুল, মোঃ আমীর হোসেন, জান্নাতুল ফেরদৌস পিকুল, কাউন্সিলর মাহমুদা বেগম, কাউন্সিলর আমেনা হালিম বেবী, এজাজ পারভেজ বাপ্পী, মোঃ রুহুল আমিন খান, তোতা মিয়া ব্যাপারী, মেহজাবিন খান, সেলিম খান মঈন, খাজা মঈনুদ্দিন, এ্যাড. আসাদুজ্জামান মিল্টন, আল আমিন, আল মামুন চৌধুরী, মোঃ জাহিদুল হক, মোঃ মোতালেব হোসেন, শেখ হাসান ইফতেখার চালু, সরদার আব্দুল হালিম, মোঃ জাকির হোসেন, মীর মোহাম্মদ লিটন, কবির পাঠান, মো. জিলহাজ্ব হাওলাদার, মোঃ শহীদুল হাসান, শেখ সামশুদ্দোহা বাঙালি, আবু বকর সিদ্দিকী বাবুল, আশরাফ আলী হাওলাদার শিপন, আঞ্জুমনোয়ারা, লুৎফর নাহার লিলি, মনোয়ারা বেগম, শাহানা ভানু, কবিতা ওসিরন, কবিতা আহাম্মেদ, লাকি আক্তার, সাবিহা ইসলাম আঙ্গুর, তামান্না ইসলাম, রেশমা বেগম, রিনা চৌধুরী, নাজনীন নাহার বিউটি সহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
স্মরণ সভা শেষে শহীদ এ্যাড. মঞ্জুরুল ইমামের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মেসবাহ উদ্দিন।




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন