ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত সাতজন আহত হয়েছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার বারইহুদা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সামাজিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বগুড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জামিরুল ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি রাকিবুল হাসান খান দিপুর সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। সকালে জামিরুলের সমর্থক কালাম ও সালামের বাড়িতে গিয়ে অতর্কিত হামলা করে আহত করে।
এরপর জামিরুলের সমর্থক নাসির মেম্বারের লোকজন পাল্টা হামলা চালালে দিপুর সমর্থক আকলিমা নামের এক মহিলা আহত হন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ বারইহুদা গ্রামে এসে জামিরুলের দলীয় মাতব্বর নাসির মেম্বারকে আটক করতে গেলে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশকে বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ ও বিক্ষুব্ধ জনতার মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে হাটফাজিলপুর ক্যাম্প পুলিশ সদস্য সোহেল রানা, বারইহুদা গ্রামের নাসির মেম্বারের কর্মী কবিরসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়।
আহতদের শৈলকুপা ও ঝিনাইদহ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বগুড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জামিরুল ইসলাম বলেন, বারইহুদা গ্রামের আমার সমর্থকের ওপর সকালে অতর্কিত হামলা চালায় দিপুর লোকজন। পুলিশ তাদের আটক না করে আমার লোকজনকে উল্টো আটক করতে গেলে পুলিশের সাথে গ্রামবাসী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি রাকিবুল হাসান খান দিপু বলেন, ‘আমি কোনো দলাদলির ভেতরে নেই।
যারা সংঘর্ষে লিপ্ত ও পুলিশের ওপর হামলা করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করি।’
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শৈলকুপা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাকিল আহমেদ বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশসহ যৌথ বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
খুলনা গেজেট/এমএনএস

