বাগেরহাট-১ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে ফকিরহাট উপজেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ইতোমধ্যে নিরাপত্তা প্রহরায় কেন্দ্রে কেন্দ্রে ব্যালট বাক্সসহ প্রয়োজনীয় ভোটের সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
এই আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ মন্ডল (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মশিউর রহমান খান (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী স. ম. গোলাম সরোয়ার (নাঙ্গল), আমার বাংলাদেশ পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম (ঈগল), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মনোনীত প্রার্থী এম. ডি. শামসুল হক (হারিকেন), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল-এর মনোনীত প্রার্থী আ. সবুর শেখ (পাঞ্জা), স্বতন্ত্র প্রার্থী এম. এ. এইচ সেলিম (ঘোড়া) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মো. মাছুদ রানা (ফুটবল)।
বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট-মোল্লাহাট-চিতলমারী) আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৫৬০ জন। এর মধ্যে ফকিরহাট উপজেলায় মোট ভোটার ১ লাখ ২৮ হাজার ১২৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬২ হাজার ৯১৮ জন এবং নারী ভোটার ৬৫ হাজার ৯০২ জন। এছাড়া উপজেলায় পোস্টাল ভোটার রয়েছেন ৯৬৪ জন।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় মোট ভোট কেন্দ্র ৫২টি এবং বুথের সংখ্যা ২৬০টি। নির্বাচন পরিচালনায় ৫২ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ২৬০ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৫২০ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন।
ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ফকিরহাট উপজেলায় সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠে রয়েছে। ভোটাররা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার সুমনা আইরিন বলেন, বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটের সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। ভোটের মাঠে ১ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স ও মোবাইল টিম হিসেবে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও আনসার ব্যাটালিয়ন মাঠে থাকবে।
খুলনা গেজেট/এমএনএস

