বিদায়টা যে সাধারণ হবে না, তা আগেই জানা ছিল। এবার জানা গেল সেই বিদায়ের পুরো অনুষ্ঠানসূচিও। মিনিট ধরে সাজানো আয়োজনে থাকবে গান, জাতীয় সংগীত, ম্যাচ, বিরতিতে পরিবেশনা, ড্রোন শো, আতশবাজি এবং সবশেষে থাকবে বিশেষ চমক।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বুয়েনস এইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্টালে বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নামবেন লিওনেল মেসি। ম্যাচ শুরু হবে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৮টায়, বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোর ৫টায়। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) বিদায়ী ম্যাচকে ঘিরে পুরো আয়োজনের সূচি প্রকাশ করেছে।
ম্যাচের আগে থেকেই শুরু হবে উৎসব। স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে ‘উন পোকো দে রুইদো’ দিয়ে শুরু হবে আয়োজন। এরপর একে একে মঞ্চে উঠবেন সেবাস্তিয়ান মেন্দোসা, রোমান এল অরিজিনাল, আমার আসুল, সান্তি কাইরো, কিউলোকুরা ও দামাস গ্রাতিস। রাত ৮টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করবেন ফাবিও সান্তানা।
সূচি অনুযায়ী, ম্যাচের আগে শিল্পীদের পরিবেশনার সময়গুলোও নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে সেবাস্তিয়ান মেন্দোসা, ৫টা ৫০ মিনিটে রোমান এল অরিজিনাল, ৬টায় আমার আসুল, ৬টা ১০ মিনিটে সান্তি কাইরো এবং ৬টা ২০ মিনিটে কিউলোকুরা পরিবেশনা করবে। রাত ৭টায় থাকবে দামাস গ্রাতিসের পরিবেশনা।
এরপর রাত ৮টায় ফাবিও সান্তানার কণ্ঠে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হবে মূল ম্যাচ। বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য সেই সময় হবে বুধবার ভোর ৫টা।
ম্যাচের বিরতিতেও থাকবে বিশেষ আয়োজন। তখন গান পরিবেশন করবেন গাসপার বেনেগাস। তবে রাতের সবচেয়ে বড় আয়োজন রাখা হয়েছে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর।
ম্যাচ শেষের পর স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩ মিনিটে শুরু হবে ড্রোন ও আতশবাজির শো। ১০টা ১০ মিনিটে মঞ্চে উঠবেন জনপ্রিয় শিল্পী ‘লা সোলে’ এবং ১০টা ১৫ মিনিটে পরিবেশনা করবেন উলিসেস বুয়েনো। এরপরই আসবে বিদায়ের সবচেয়ে রহস্যময় মুহূর্ত। রাত ১০টা ৩০ মিনিটের ঘরে সূচির শেষ লাইনে লেখা ‘সোরপ্রেসা’। যার অর্থ চমক। সেখানে কোনো শিল্পীর নাম নেই, নেই বিস্তারিত কোনো ঘোষণা। শুধু জানানো হয়েছে, বিদায়ী আয়োজনের শেষ মুহূর্তে থাকবে একটি ‘সারপ্রাইজ’।
কী সেই চমক, তা এখনো প্রকাশ করেনি এএফএ। ফলে মেসির বিদায়ী রাতের সবচেয়ে বড় কৌতূহল এখন এই শেষ লাইনটিকে ঘিরেই।
খুলনা গেজেট/উউরা

