চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেছে। ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ী পুরুষ ফুটবলার নির্বাচনের ভোটাভুটি শেষ। সাংবাদিকরা তাদের মতো করে সেরা খেলোয়াড়দের ভোট দিয়েছেন।
ফ্রান্স ফুটবলের বাছাই করা ৩০ জনের প্রাথমিক তালিকা থেকে বিজয়ী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার শেষ সময় ছিল সোমবার পর্যন্ত। এই বছরের ব্যালন ডি’অর নিয়ে উন্মাদনার শেষ নেই। কারণ কেউ এককভাবে এগিয়ে নেই। স্পষ্ট করে একদমই বলা যাবে না, কার হাতে উঠছে ফুটবলের সবচেয়ে সম্মানজনক ব্যক্তিগত পুরস্কার।
কীভাবে ব্যালন ডি’অর বিজয়ী নির্বাচন করা হয়?
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ১০০ দেশের ১০০ সাংবাদিককে নিয়ে গঠিত জুরির প্রত্যেক সদস্যকে যোগ্যতার ক্রমহ্রাসমান হিসেবে ১০ খেলোয়াড় বাছাই করেন এবং তাদেরকে ১৫, ১২, ১০, ৮, ৭, ৫, ৪, ৩, ২ ও ১ পয়েন্ট দেন। সর্বমোট পয়েন্ট পেয়ে যিনি এগিয়ে থাকবেন, তার হাতে উঠবে পুরস্কার।
নিয়ম অনুযায়ী, ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে: ব্যক্তিগত নৈপুণ্য, যার মধ্যে রয়েছে ম্যাচের ফল নির্ধারণে অবদান ও অসামান্য প্রদর্শন, দলীয় নৈপুণ্য ও সাফল্য এবং খেলার মান ও ন্যায্যতা।
ব্যালন ডি’অরে এবার কে ফেভারিট?
এই বছরের লড়াই ভেশ উন্মুক্ত। লামিন ইয়ামাল ও কিলিয়ান এমবাপে নিজেদেরকেই ব্যালন ডি’অর জয়ী হিসেবে জনসমক্ষে ঘোষণা করেছেন। যদিও এভাবে প্রকাশ্যে নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করার ব্যাপারটি ভালো চোখে দেখেননি অনেক বিশ্লেষক ও সাবেক খেলোয়াড়রা।
জার্মানিতে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা হ্যারি কেইন জানিয়েছেন, গোল সংখ্যাই বলছে কে এগিয়ে। আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি বিশ্বকাপ না জিততে পারলেও ৩৯ বছর বয়সে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। রেকর্ড নবম ব্যালন ডি’অর তার হাতে উঠলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
ফ্রান্সে অনেকেই মনে করছেন, এবারের ব্যালন ডি’অর প্যারিস সেন্ট জার্মেইর কোনো খেলোয়াড়ের হাতে ওঠা উচিত। ক্লাবটি অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছে। এক্ষেত্রে খভিচা, কভারাতস্খেলিয়া, উসমান দেম্বেলে ও ফ্যাবিয়ান রুইজের নাম উঠে আসছে। রুইজের সঙ্গে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেনের ইয়ামাল ও গোল্ডেন বল জয়ী রদ্রির হাতেও ব্যালন ডি’অর ওঠার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
তবে বেটিং মার্কেটে এখনও কেইন এগিয়ে। তারপর আছেন ইয়ামাল ও এমবাপে। শীর্ষ পাঁচে থাকা বাকি দুজন মেসি ও রদ্রি।
কখন ও কোথায় ব্যালন ডি’অরের জমকালো আয়োজন?
এই পুরস্কারের ৭০তম বার্ষিকীতে জমকালো আয়োজন হবে ২৬ অক্টোবর সোমবার লন্ডন প্যালাডিয়ামে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ২ হাজারের মতো অতিথি। ১৯৫৬ সালে এই পুরস্কারের প্রথম বিজয়ী ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি উইঙ্গার স্ট্যানলি ম্যাথুসকে সম্মান জানানো হবে। ৭০ বছর পর কে হচ্ছেন সেরা খেলোয়াড়? উত্তর পাওয়া যাবে একমাসেরও কম সময়ের মধ্যে।
খুলনা গেজেট/এনএম

