২২ মে বাফুফে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) নির্ধারণ হয়েছিল। এজিএমে বাফুফের অধীভুক্ত সংস্থাগুলো থেকে প্রতিনিধির নাম চেয়ে চিঠিও দেয়া হয়েছিল। তবে রবিবার (১০ মে) ফেডারেশনের নির্বাহী কমিটির এক অনলাইন সভায় এজিএম পিছিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজনের জন্য প্রয়োজন অডিট রিপোর্ট। ২০২৫ সালের অডিট রিপোর্ট এখনো প্রস্তুতই হয়নি। সেই রিপোর্ট প্রস্তুত হলে বাফুফের সংশ্লিষ্ট কমিটি এটা পর্যালোচনা করবে। এর জন্যও সপ্তাহ খানকে সময় প্রয়োজন। এই সময়ের মধ্যে যা সম্ভব নয়।
২৭ কিংবা ২৮ মে ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হতে পারে। ২২ মে এজিএম হলে দূরের জেলা থেকে আসা প্রতিনিধিদের বাড়ি ফিরতে ঝক্কি পোহাতে হবে। আবার ঈদের মাত্র দিন পাঁচ-ছয় আগে হওয়ায় পারিবারিক ও ব্যবসায়িক ব্যস্ততাও থাকে সবার। অডিট রিপোর্টের পাশাপাশি এই সব বিষয় চিন্তা করে ফেডারেশন এজিএম পিছিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জুন বিশ্বকাপের মাস। ঐ মাসে বাংলাদেশেরও ফুটবল ব্যস্ততা রয়েছে। মালদ্বীপ ও সান মারিনোতে দু’টি দল খেলবে বাংলাদেশের। বিশ্বকাপ দেখতে আমেরিকা, কানাডা কিংবা মেক্সিকো যাবেন বাফুফের ও ক্লাবের অনেক কর্মকর্তা। তাই আজকের সভায় বিশ্বকাপের পর সুবিধাজনক সময়ে এজিএম আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২২ মে এজিএম আয়োজন না হলেও পরের দিন এএফসি গ্রাসরুট ডে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পালন হবে।
খুলনা গেজেট/এএজে

