জলাবদ্ধ একটি বিলের পাড়ে দাঁড়িয়ে একজন কৃষক বলছেন, ‘তাঁর তেরো বিঘা জমি পানির নিচে, সীমানা মাপা যায় না, আর যে লোকটি সেই জমিতে মাছ চাষ করছে সে টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও কখনো দেয়নি।’ এই কথাগুলো সচরাচর হারিয়ে যায় স্থানীয় চায়ের দোকানের আলাপে, কিংবা বড়জোর কোনো স্থানীয় পত্রিকার প্রতিবেদনে। কিন্তু ২০২৬ সালে এসে দেখা যাচ্ছে, যশোরের অভয়নগর ও মণিরামপুরের এই কৃষকদের কথা এখন রাউটলেজ প্রকাশিত আন্তর্জাতিক সাময়িকী এনভায়রনমেন্টাল সোশিওলজি-তে উদ্ধৃত হচ্ছে, স্প্রিঙ্গার নেচার-এর এনভায়রনমেন্টাল ম্যানেজমেন্ট সাময়িকীতে বিশ্লেষিত হচ্ছে ডেভিড হার্ভের ‘উচ্ছেদের মাধ্যমে সঞ্চয়’ তত্ত্বের পাশাপাশি এই রূপান্তরকে সমাজবিজ্ঞান শিক্ষার প্রকৃত সম্ভাবনা এবং দায়বদ্ধতার জ¦লন্ত উদাহরণ হিসেবে দেখিয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক মহিবুল ইসলাম। মহিবুল ইসলাম নিজেও এই অঞ্চলে বেড়ে উঠেছেন।
সমাজবিজ্ঞান শিক্ষার লক্ষ্য কী হওয়া উচিত?
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমাজবিজ্ঞান পড়ানো হয় মূলত পশ্চিমা তাত্ত্বিকদের ধারণা মুখস্থ করানোর মধ্য দিয়ে এমিল ডুর্খেইম, কার্ল মার্ক্স, ম্যাক্স ওয়েবার, অ্যান্থনি গিডেন্স। পরীক্ষায় ভালো নম্বর, তারপর একটা ব্যাংকের চাকরি, বিসিএস, এনজিও, অথবা বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ-এই যাত্রাপথই যেন সমাজবিজ্ঞান শিক্ষার স্বাভাবিক পরিণতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে দোষের কিছু নেই; জীবিকার প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাশ করা একজন শিক্ষার্থী কি কখনো শেখেন যে তাঁর নিজের গ্রাম, তাঁর নিজের বিলপাড়ের মানুষের যন্ত্রণা, তাঁর নিজের জেলার পরিবেশগত সংকট-এসবই বিশ্বমানের একাডেমিক গবেষণার বিষয়বস্তু হতে পারে?
সমাজবিজ্ঞান শিক্ষার প্রকৃত লক্ষ্য হওয়া উচিত দুটি জগতের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করা। এক পাশে থাকবে সাধারণ, খেটে-খাওয়া মানুষের অভিজ্ঞতা- যে কৃষকের জমি জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেছে, যে নারী নদীর নোনা পানিতে ধোয়া-মোছা করতে বাধ্য হচ্ছেন, যে দিনমজুর কাজ হারিয়ে শহরে পাড়ি জমাচ্ছেন। অন্য পাশে থাকবে নীতিনির্ধারণ ও আন্তর্জাতিক একাডেমিয়ার ভাষাতত্ত্ব, পরিসংখ্যান, প্রাতিষ্ঠানিক বিশ্লেষণ। একজন প্রশিক্ষিত সমাজবিজ্ঞানীর কাজ হলো এই দুটি জগতের মধ্যে অনুবাদকের ভূমিকা পালন করা-মাঠপর্যায়ের নীরব কণ্ঠস্বরকে এমনভাবে তুলে ধরা, যাতে তা নীতিনির্ধারকের টেবিলে পৌঁছায় এবং আন্তর্জাতিক পণ্ডিতসমাজের বিতর্কে জায়গা করে নেয়।
যখন বিলের কান্না একাডেমিক উদ্ধৃতি হয়ে ওঠে
এই সম্ভাবনার একটা বাস্তব ও অনুপ্রেরণাদায়ক দৃষ্টান্ত করে দেখিয়েছেন মহিবুল ইসলাম। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের এই প্রভাষক নিজেও বেড়ে উঠেছেন উপকূলীয় জনপদের বাস্তবতার মধ্যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। কিন্তু তাঁর গবেষণার বিশেষত্ব এখানেই যে, তিনি নিজের চারপাশের অতি পরিচিত সংকট জলাবদ্ধতা-কে নিছক একটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে না দেখে, তাকে রূপান্তরিত করেছেন একাডেমিক তত্ত্বের ভাষায়, আন্তর্জাতিক জার্নালের পাতায়।
গত এক বছরে তাঁর নেতৃত্বে বা অংশগ্রহণে প্রকাশিত তিনটি গবেষণাপত্র এই প্রক্রিয়াটিকে স্পষ্ট করে তোলে। প্রথমটি, এনভায়রনমেন্টাল সোশিওলজি জার্নালে প্রকাশিত ‘ফ্রম ওয়াটারলগিং টু ল্যান্ড গ্র্যাবিং’-যশোরের অভয়নগর ও মণিরামপুরের পাঁচটি গ্রামে মাঠ জরিপ চালিয়ে দেখিয়েছে কীভাবে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা নিছক পরিবেশগত সমস্যা নয়, বরং একটি সামাজিক-রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, যার মধ্য দিয়ে ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকের জমি ধীরে ধীরে চলে যাচ্ছে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ও অর্থনৈতিকভাবে সক্ষম গোষ্ঠীর হাতে। গবেষণাটি নব্যউদারনৈতিক, বলপ্রয়োগমূলক, অর্ধ-প্রতারণামূলক এবং সংকটজনিত-এই চারটি স্বাতন্ত্র্য যুক্তিতে ভূমি বেদখলের ধরন চিহ্নিত করেছে, যা ডেভিড হার্ভের ‘উচ্ছেদের মাধ্যমে সঞ্চয়’ তত্ত্বকে দক্ষিণ এশীয় ব-দ্বীপীয় প্রেক্ষাপটে নতুনভাবে প্রয়োগ করে। এখানে বিষ্ণু, রণজিৎ, তিলক পাল, গোপাল-এই সাধারণ নামের মানুষগুলোর মুখের ভাষা সরাসরি উদ্ধৃত হয়েছে গবেষণাপত্রে, আর তার পাশাপাশি বসেছে হল, লেভিয়েন, পেলুসো ও লুন্ডের মতো আন্তর্জাতিক পণ্ডিতদের তত্ত্ব।
দ্বিতীয় গবেষণাপত্রটি, এনভায়রনমেন্টাল ম্যানেজমেন্ট (স্প্রিঙ্গার নেচার) জার্নালে প্রকাশিত ‘ডোনার ক্লাইমেট কলোনিয়ালিটি, ইকোলজিক্যাল ডেট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটিজ ইন কোস্টাল বাংলাদেশ’-আরও এক ধাপ এগিয়ে দেখায় কীভাবে বিদেশি দাতা সংস্থার অর্থায়নে পরিচালিত জলব্যবস্থাপনা প্রকল্প কোস্টাল এমব্যাংকমেন্ট প্রজেক্ট থেকে শুরু করে খুলনা-যশোর ড্রেনেজ রিহ্যাবিলিটেশন প্রজেক্ট পর্যন্ত প্রকৃতপক্ষে স্থানীয় বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে ‘প্রাতিষ্ঠানিক জলবায়ু ঔপনিবেশিকতা’ তৈরি করেছে। এখানে গবেষকরা প্রস্তাব করেছেন ‘রিকগনিশন জাস্টিস ও প্রসিডিউরাল জাস্টিস’-এর ধারণা, যা সরাসরি বিশ্বব্যাংক, ইউএনডিপি এবং বাংলাদেশ সরকারের নীতিনির্ধারকদের জন্য প্রাসঙ্গিক সুপারিশ হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।
তৃতীয় গবেষণাপত্রটি, ডিজাস্টার অ্যাডভান্সেস সাময়িকীতে প্রকাশিত ‘ওয়াটারলগিং অ্যাজ আ সোসিও-ইকোলজিক্যাল ক্রাইসিস’-‘সোশ্যাল-ইকোলজিক্যাল সিস্টেম’ তত্ত্বের কাঠামোতে দেখিয়েছে কীভাবে জলাবদ্ধতা একইসঙ্গে জীবিকা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের ওপর বহুমাত্রিক প্রভাব ফেলছে-স্কুলের পথ কাদায় ডুবে যাওয়ায় শিশুরা বিদ্যালয়ে যেতে পারছে না, গর্ভবতী নারীরা লবণাক্ত পানি পান করে উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন, সাপের কামড়ে প্রতি বছর মানুষ মারা যাচ্ছে। এই তিনটি গবেষণাপত্র মিলিয়ে একটা সামগ্রিক চিত্র তৈরি হয়েছে, যেখানে একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলের মানুষের যন্ত্রণা একইসঙ্গে স্থানীয়, জাতীয় ও বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে প্রাসঙ্গিকতা পেয়েছে।
কীভাবে সম্ভব হলো এই রূপান্তর
এই তিনটি গবেষণার পদ্ধতিগত দিকটি লক্ষ করার মতো। প্রতিটি গবেষণায় ব্যবহৃত হয়েছে ফোকাস গ্রুপ আলোচনা, কেস স্টাডি এবং মূল তথ্যদাতা সাক্ষাৎকার অর্থাৎ মানুষের নিজের ভাষায়, নিজের অভিজ্ঞতায় বলা কথাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বাংলায় সংগৃহীত তথ্য ইংরেজিতে অনুবাদ করে এনভিবো সফটওয়্যারের মাধ্যমে থিমেটিক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। কিন্তু এখানেই আসল দক্ষতা শুধু তথ্য সংগ্রহ করাই যথেষ্ট নয়, সেই তথ্যকে আন্তর্জাতিক তাত্ত্বিক কাঠামোর সাথে সংযুক্ত করার মধ্যে। ‘জল’ শুধু পানি নয়, তা হয়ে ওঠে ‘সোসিও ন্যাচার’; ‘জলাবদ্ধতা’ শুধু দুর্যোগ নয়, তা হয়ে ওঠে ‘পলিটিক্যালি প্রডাক্টিভ কন্ডিশন’; একজন প্রান্তিক কৃষকের জমি হারানোর গল্প হয়ে ওঠে ‘উচ্ছেদের মাধ্যমে সঞ্চয়’-এর একটি অভিজ্ঞতামূলক দৃষ্টান্ত। এই তাত্ত্বিকীকরণের ক্ষমতাই একজন প্রশিক্ষিত সমাজবিজ্ঞানীকে আলাদা করে দেয় একজন সাধারণ প্রতিবেদক বা উন্নয়নকর্মী থেকে।
এখানে গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি দিক হলো সহলেখকত্ব ও পরামর্শদাতার ভূমিকা। মহিবুল ইসলামের গবেষণাগুলোতে দেখা যায় ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভিড বেনসন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক মনিররুল ইসলাম খান-এর মতো অভিজ্ঞ গবেষকদের সঙ্গে যৌথ কাজ। অর্থাৎ, স্থানীয় বাস্তবতা বোঝার সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক তাত্ত্বিক দক্ষতা এই দুইয়ের সংযোগ ঘটেছে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার মধ্য দিয়ে। এটি প্রমাণ করে যে তাঁর গবেষকদের জন্য মেন্টরশিপ এবং আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক তৈরি করে দেওয়াটাও সমাজবিজ্ঞান শিক্ষার একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ হওয়া উচিত।
নীতিনির্ধারণী প্রভাব : গবেষণা যখন শুধু কাগজে সীমাবদ্ধ থাকে না
এই গবেষণাগুলোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, এগুলো শুধু সমস্যা চিহ্নিত করেই থামেনি, বরং সুনির্দিষ্ট নীতিগত সুপারিশ দিয়েছে। টাইডল রিভার ম্যানেজমেন্ট-কে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া, ‘ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট অরগানাইজেশন’-এ প্রান্তিক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা, ক্ষতিপূরণ প্রক্রিয়ায় ব্যাংক হিসাব না থাকা বা জমির দলিলে ভুল থাকা মানুষদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা-এই ধরনের সুপারিশ সরাসরি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড কিংবা বিশ্বব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানের নীতি প্রণয়নে কাজে লাগতে পারে। এভাবেই সমাজবিজ্ঞান তার প্রকৃত সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করে কেবল ব্যাখ্যা দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে ওঠে।
শিক্ষাব্যবস্থার জন্য শিক্ষা
মহিবুল ইসলামের এই যাত্রা থেকে বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিভাগগুলোর জন্য বেশ কিছু শিক্ষার দিক রয়েছে। প্রথমত, পাঠ্যক্রমে গুণগত গবেষণা পদ্ধতিতে মনোযোগ, গ্রুপ আলোচনা, ন্যারেটিভ বিশ্লেষণ, নৃতাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ শুধু তাত্ত্বিকভাবে না পড়িয়ে ব্যবহারিকভাবে শেখানো জরুরি, যাতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের এলাকায় গিয়ে বাস্তব তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। দ্বিতীয়ত, শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা উচিত নিজেদের জন্মস্থান, নিজেদের কমিউনিটির সমস্যাকে গবেষণার বিষয় হিসেবে বেছে নিতে কারণ যে অঞ্চলের ভাষা, সংস্কৃতি ও আস্থার সম্পর্ক একজন গবেষকের ইতিমধ্যে আয়ত্তে আছে, সেখানে তথ্যের গভীরতা ও নির্ভরযোগ্যতা অনেক বেশি হয়। তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক তাত্ত্বিক সাহিত্যের সাথে পরিচয় ঘটানো জরুরি, কিন্তু তা যেন মুখস্থবিদ্যা না হয়ে বাস্তব উপাত্ত বিশ্লেষণের হাতিয়ার হিসেবে শেখানো হয়। চতুর্থত, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উচিত আন্তর্জাতিক সহলেখকত্ব ও প্রকাশনার সংস্কৃতি গড়ে তোলা, যাতে তরুণ শিক্ষক-গবেষকরা বিচ্ছিন্ন না থেকে বৈশ্বিক একাডেমিক কথোপকথনের অংশ হতে পারেন।
সবশেষে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। সমাজবিজ্ঞান পড়ার উদ্দেশ্য যদি শুধু একটা ভালো চাকরি বা বিদেশযাত্রার সিঁড়ি হয়ে থাকে, তাহলে এই শাস্ত্রের সামাজিক শক্তিটাই অব্যবহৃত থেকে যাবে। কিন্তু যদি একজন শিক্ষার্থীকে শেখানো যায় যে তার নিজের গ্রামের বিলপাড়ের কৃষকের কান্না, তার প্রতিবেশী নারীর দুর্ভোগ-এসবই একদিন রুটলেজ বা স্প্রিঙ্গারের পাতায় জায়গা পেতে পারে, নীতিনির্ধারকের টেবিলে পৌঁছাতে পারে, তাহলে সমাজবিজ্ঞান শিক্ষা হয়ে ওঠে সত্যিকার অর্থে রূপান্তরকামী।
গবেষণা অভিজ্ঞতা নিয়ে মহিবুল ইসলাম বলেন, “আমি ছোটবেলা থেকেই এই অঞ্চলের মানুষের দুঃখ দেখে আসছি। তারপর যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলাম জানাশোনা বাড়ল তখন মনে হলো এই সমস্যা যতটা না প্রাকৃতিক তার চেয়ে বেশি রাজনৈতিক। এই সমস্যা বিশ্ব মহলে আরো আলোচনা হওয়া জরুরি। তখন থেকে কাজ করা শুরু করেছি। আমি এখন সফল মনে করছি কারণ আমার এই অবহেলিত অঞ্চলের মানুষেরা এখন বিশ্বমহলে আলোচনার জায়গা করে নিয়েছে।”
খুলনা গেজেট/এনএম

