একদিকে কমছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার। অন্যদিকে বছরের পর বছর বাড়ছে কলেজের আসন। ফলে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির পরও বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকার চিত্র গত কয়েক বছর ধরে নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এবার সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ ফল হওয়ার কারণে এ সংখ্যা ১৫ লক্ষাধিক হতে পারে।
এর ফলে সরকারি-বেসরকারি কলেজগুলোতে নানা সংকট তৈরি হবে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী কমে যাওয়ায় বেসরকারি কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোতে আর্থিক জটিলতাসহ নানামুখী সংকট দেখা দেবে।
বিগত বছরগুলোয় পাসের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী থাকায় দেশে কলেজের সংখ্যা ও আসন সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু হঠাৎ করে পাসের হার কমতে শুরু করায় বিপাকে পড়বে নবীন ও মানহীন কলেজগুলো। বেশি ঝুঁকিতে পড়বে মফস্বলের এমপিওভুক্ত ও বেসরকারি কলেজগুলো।
২০০৮ সালের পর থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বাড়তে থাকে পাসের হার ও জিপিএ ৫। তবে গত বছর সেই পাসের হারে ছন্দ পতন ঘটে।
চলতি বছরের ফলে দেখা যায়, গত বছরের চেয়েও পাসের হার ও জিপিএ ৫ কমেছে। গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার ৬.২০ শতাংশ কমেছে, ২০২৪ সালের চেয়ে কমেছে ১৭.৭৯ শতাংশ।
এ ছাড়া গত বছরের চেয়ে এবার জিপিএ ৫ কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন, ২০২৪ সালের তুলনায় কমেছে ৬৫ হাজার ৪৫৩ জন। এবারের পরীক্ষার ফলে ইংরেজি ও গণিতের প্রভাব রয়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষকরা।
সোমবার ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশিত হয়। এ বছর পাসের হার ৬২. ২৫ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। মোট অংশ নিয়েছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন।
খুলনা গেজেট/এনএম

