৫১তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষার অনলাইন আবেদন, আবেদন ফি জমা ও প্রবেশপত্র সংগ্রহের বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি)। বিপিএসসির নির্ধারিত ওয়েবসাইট ও টেলিটকের ওয়েবসাইটে এসব নির্দেশনা পাওয়া যাচ্ছে।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো ধরনের তদবির করা হলে তা প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য হবে। সাধারণ প্রার্থীদের আবেদন ফি ২০০ টাকা। শিক্ষা বোর্ডের তথ্য যাচাইয়ের চার্জ ও মূল্য সংযোজন করসহ মোট ২০৫ টাকা দিতে হবে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের ফি ৫০ টাকা; যাচাইয়ের চার্জসহ মোট ৫৫ টাকা।
আবেদনকারীকে প্রথমে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। ব্যক্তিগত তথ্য যাচাইয়ের জন্য এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার রোল, নিবন্ধন নম্বর, শিক্ষা বোর্ড ও পাসের বছর দিতে হবে। এরপর শিক্ষা বোর্ডের তথ্যভান্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে প্রার্থীর নাম, বাবা-মায়ের নামসহ প্রয়োজনীয় তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফরমে যুক্ত হবে। এসব তথ্য পরে পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে না।
অনলাইন ফরমে ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ক্যাডার পছন্দ—এই তিনটি অংশ থাকবে। ব্যক্তিগত তথ্যের মধ্যে জন্মতারিখ, লিঙ্গ, চাকরির বর্তমান অবস্থা, কোটা, বৈবাহিক অবস্থা, জাতীয়তা, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন বা পাসপোর্ট নম্বর এবং উচ্চতা, ওজন ও বুকের মাপ দিতে হবে। প্রার্থীর জাতীয়তা অবশ্যই বাংলাদেশি হতে হবে।
শারীরিক যোগ্যতার ক্ষেত্রে পুরুষ প্রার্থীদের সর্বনিম্ন উচ্চতা ১৫২ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার ও ওজন ৪৮ দশমিক ৯৯ কেজি হতে হবে। নারী প্রার্থীদের সর্বনিম্ন উচ্চতা ১৪৭ দশমিক ৩২ সেন্টিমিটার ও ওজন ৪০ দশমিক ৮২ কেজি নির্ধারণ করা হয়েছে।
শিক্ষাগত যোগ্যতার অংশে এইচএসসি ও স্নাতক পর্যায়ের তথ্য দিতে হবে। স্বাস্থ্য ক্যাডারের এই বিশেষ বিসিএসে দুটি পদে আবেদন করা যাবে। পদ দুটি হলো—বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের সহকারী সার্জন, ক্যাডার কোড ৪১০ এবং সহকারী ডেন্টাল সার্জন, ক্যাডার কোড ৪৫০। প্রার্থীদের এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রির বিষয় ও কোড অনুযায়ী তথ্য পূরণ করতে হবে।
সব তথ্য পূরণের পর ‘অ্যাপ্লিকেশন প্রিভিউ’ দেখে ভুল সংশোধন করা যাবে। তবে আবেদন ফি জমা দেওয়ার পর কোনো তথ্য পরিবর্তন বা সংশোধনের সুযোগ থাকবে না।
আবেদন চূড়ান্ত করার পর নির্ধারিত যাচাই কোড দিয়ে ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড করতে হবে। ছবির মাপ ৩০০×৩০০ পিক্সেল এবং ফাইলের আকার সর্বোচ্চ ১০০ কিলোবাইট হতে হবে। ছবিটি রঙিন ও তিন মাসের বেশি পুরোনো হওয়া যাবে না। স্বাক্ষরের মাপ ৩০০×৮০ পিক্সেল এবং ফাইলের আকার সর্বোচ্চ ৬০ কিলোবাইট নির্ধারণ করা হয়েছে।
আবেদন জমা দেওয়ার পর ছবি ও স্বাক্ষরযুক্ত আবেদনকারীর কপি পাওয়া যাবে। এতে একটি ইউজার আইডি থাকবে। কপিটি প্রিন্ট করে বা সংরক্ষণ করে রাখতে হবে।
আবেদন ফি দিতে টেলিটকের প্রিপেইড সিম থেকে নির্ধারিত নিয়মে দুটি এসএমএস পাঠাতে হবে। ফি জমা সফল হলে প্রার্থী একটি পাসওয়ার্ড পাবেন। এই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে পরবর্তী সময়ে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে। পাসওয়ার্ড হারিয়ে গেলে এসএমএসের মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধারের সুযোগ রয়েছে।
অনলাইনে আবেদন করতে গিয়ে কোনো সমস্যায় পড়লে টেলিটক নম্বর থেকে ১২১-এ কল করে প্রথমে ৮ এবং পরে ১ চাপলে হেল্পলাইনের সহায়তা নেওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পিএসসি।
খুলনা গেজেট/উউরা







































