ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল পাঁচটার দিকে ভাঙ্গা উপজেলার শুয়োদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভাঙ্গা-ভাটিয়াপাড়া মহাসড়কে দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে জয়নাল, আরিফ, সেতু, নুরুন নবী ও শহিদুলের পরিচয় পাওয়া গেছে। এছাড়া ডিমবাহী পিকআপ ভ্যানের চালক ও হেলপারের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃষ্টির মধ্যে সন্ধ্যার দিকে আলগী ইউনিয়নের শুয়োদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ডিমবাহী পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ওপর উল্টে যায়। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন যুবক দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ির চালক ও সহযোগীকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেন।
এমন সময় নড়াইল এক্সপ্রেস পরিবহনের একটি দ্রুতগতির বাস ঘটনাস্থলে থাকা লোকজনকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই পিকআপ ভ্যানের চালক-হেলপারসহ স্থানীয় পাঁচজনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও দুজনের মৃত্যু হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এ দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার রাত আটটার দিকে বিক্ষুব্ধ জনতা ভাঙ্গা-ভাটিয়াপাড়া মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ জনতা পাঁচটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন ধরিয়ে দেন এবং ছোট-বড় আরও কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করেন।
ভাঙ্গা থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ডিমবাহী একটি গাড়ি সড়কের ওপর উল্টে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। এ সময় দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ির চালক ও সহযোগীদের উদ্ধারে এগিয়ে আসা লোকজনের ওপর একটি যাত্রীবাহী বাস উঠে গেলে ঘটনাস্থলেই পাঁচজন নিহত হন। পরে ফরিদপুর জেলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও দুইজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
খুলনা গেজেট/এএজে

