খুলনার দৌলতপুর থানা এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী আরমান ওরফে আরমিন ওরফে দিপুকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৬ এর সদস্যরা। রবিবার ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক দৌলতপুরের বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশার আসাদুজ্জামান মিঠুর ছেলে।
র্যাবের সূত্র জানায়, একাধিক হত্যা মামলার আসামি আরমান গত কয়েকদিনের পুলিশের তৎপরতায় খুলনা ছেড়ে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পরিবারসহ অবস্থান নেয়। উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে রবিবার দুপুর সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে নিয়ে খুলনার দৌলতপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে কয়েকটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
সূত্রটি আরও জানায়, চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে ভৈরব নদ থেকে পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ঘাউরা রাজিবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই মামলায় সে এজাহারনামীয় দুই নম্বর আসামি।
এলাকাবাসী ও পুলিশের একটি সূত্র জানায়, আরমান এক সময়ে দৌলতপুর থানা এলাকার অপর শীর্ষ সন্ত্রাসী হুমা বাহিনীর সক্রিয় সদস্য ছিল। পরবর্তীতে নিজেই বাহিনী গঠন করে প্রধান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। দৌলতপুর থানায় একাধিক হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। কিন্তু ভয়ে তার নামে কেউ কোনো মামলা করতে সাহস পায়নি। মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে মুসল্লিদের ওপর গুলির ঘটনায়ও সে জড়িত রয়েছে বলে সূত্রটির দাবি।
খুলনা গেজেট/এএজে

