দিঘলিয়ায় ড্রেন ভরে আছে ময়লা আবর্জনায়, দুর্গন্ধ আর মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

দিঘলিয়া প্রতিনিধি

দিঘলিয়া উপজেলায় সরকারি অর্থায়নে নির্মিত পাকা ড্রেনগুলো অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত হওয়ায় যথাযথ ব্যবহারের অভাবে বর্তমানে ময়লা আবর্জনা ও পলিথিন ফেলার স্থানে পরিণত হয়েছে। ফলে পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সৃষ্টি হচ্ছে দুর্গন্ধ, মশার উপদ্রব, জনদুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে।

সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়ন ও সেনহাটি, বারাকপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে ড্রেন নির্মাণের ফলে সঠিকভাবে পানি প্রবাহিত হয় না। যার দরুন ড্রেনে জমে থাকা পানিতে গৃহস্থলী ময়লা আবর্জনা পলিথিন ফেলায় মশার অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে দিঘলিয়া ইউনিয়নের দেয়াড়া, ফরমাইশখানা দিঘলিয়া গ্রামে। সেখানে নির্মিত ড্রেনগুলোতে পলিথিন, গৃহস্থালির বর্জ্য ও অন্যান্য ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে ড্রেনের পানি স্থির হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে।

সেনহাটি ও বারাকপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে একই চিত্র দেখা গেছে। বিশেষ করে চন্দনীমহল কে.আই.টি.সি মিলের প্রধান ফটকের সামনে এবং এর উত্তর-পূর্ব পাশের ও সেনহাটী ও পথের বাজারের মাছের চানদীনার পাশের ড্রেনে গুলোতে ময়লা ফেলার প্রবণতা বেশি হওয়ায় সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিয়মিতভাবে ড্রেনে গৃহস্থালির বর্জ্য ও পলিথিন ফেলা হয়। ফলে ড্রেনের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং গৃহস্থালির বর্জ্য সামগ্রিক পচে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। দুর্গন্ধের কারণে স্থানীয়দের বসবাসে অযোগ্য হয়ে উঠছে এলাকা।

সেনহাটির ৭নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম জানান, একটু বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায় রাস্তাসহ মদিনা মসজিদের এলাকা। এলাকাবাসীর দাবি, জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে দ্রুত ড্রেনগুলো পরিষ্কার করে, নিয়মিত তদারকি বৃদ্ধি এবং যারা ড্রেনে ময়লা ফেলছেন তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন