টানা কয়েক সপ্তাহের শিক্ষার্থী ও জেন-জিদের বিক্ষোভের পর পদত্যাগ করেছেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের একাধিক ঘটনার প্রতিবাদে দেশজুড়ে আন্দোলন চলছিল। শনিবার (২৫ জুলাই) তিনি বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।’
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় বিরোধী দল ও আন্দোলনকারীরা দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

অবশেষে নিট (NEET) কেলেঙ্কারি ও নজিরবিহীন ছাত্র আন্দোলনের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক চাপের মুখে নতিস্বীকার করেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। দীর্ঘ জল্পনা ও বিরোধীদের ধারাবাহিক দাবির মুখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে এদিন নিজের পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিলেন তিনি। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের আলোচনার ঠিক আগেই তিনি পদত্যাগ করন।
পদত্যাগের পর ‘তরুণ বন্ধুদের’ জন্য দু’পাতার একটি খোলা চিঠি লিখে নিজের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন ধর্মেন্দ্র। চিঠিতে তিনি স্পষ্ট করেছেন— এটি তাঁর ব্যক্তিগত প্রতিপত্তির বিষয় নয়। আন্দোলনকে হাতিয়ার করে রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি যাতে সুযোগ নিতে না পারে এবং পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ যাতে আইনি জটিলতায় আটকে না যায়, সেই কারণেই তিনি মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
২০ জুন যন্তরমন্তরে এই আন্দোলন শুরু করে ককরোচ জনতা পার্টি। তারপর আন্দোলন বিরাট আকার ধারণ করে গোটা ভারতে। ভারতের বাইরেও বিদেশে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। কংগ্রেস ও বামপন্থি সহ অন্তত ৫০ বামপন্থি দল, বামপন্থী সহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন এই আন্দোলনকে একটি মহিরুহে পরিণত করে। ২৪ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা ৮টি বামপন্থি ছাত্র-যুব সংগঠন কলকাতা আন্দোলনে প্লাবিত করে। দিল্লির এই আন্দোলন কলকাতাসহ ৩০ টি রাজ্যের রাজধানীতে ছড়িয়ে পড়ে।
খুলনা গেজেট/এএজে

