আদালতের সূত্র জানায়, ২০১৩ সালে আসামি মুকুল গাজীর সাথে উপজেলার দারোগার ভিটার বাসিন্দা মো: বিল্লাল হোসেন মল্লিকের মেয়ে মোছা: হেনা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর দম্পতির কোল জুড়ে একটি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহণ করে। এরপর থেকে জামাই হেনাকে প্রায়ই মারধর করত। বিষয়টি বাবাকে অবগত করলে সে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তাকে মিলে মিশে থাকার কথা বলে।
২০১৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্য সোয়া ৬টার দিকে উপজেলার শান্তিনগর বাড়িতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে হেনাকে মারধর করে। বিষয়টি তার ফুফুকে অবগত করার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে আশিকের ভিটায় পৌঁছালে পেছন থেকে মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে। মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে সে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বিল্লাল বাদী হয়ে ঘটনার পরের দিন বটিয়াঘাটা থানায় মামলা দায়ের করে। একই বছরের ৩১ অক্টোবর বটিয়াঘাটা থানার এসআই বোধন চন্দ্র বিশ্বাস এ মামলার আসামি মো: মুকুল কাগজীকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
খুলনা গেজেট/এএজে

