ফরিদপুরের ভাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাসচাপায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার আলগি ইউনিয়নের সোয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের সোয়াদী গ্রামের বাসিন্দা লিটন হোসেনের ছেলে জয়নাল হোসেন (৩০), আঞ্জু শেখের ছেলে ওবায়দুর শেখ (৪৫), বাবলু মিয়ার ছেলে আরিফ মিয়া (৪২), নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের শংকরপাশা গ্রামের কুদ্দুস মাতুব্বরের ছেলে হাফিজুল মাতুব্বর (২৮) ও বরগুনা সদর উপজেলার কোটবাড়িয়া ইউনিয়নের তুলশীবাড়িয়া গ্রামের সেলিম খানের ছেলে জালাল খান (৩৬)।
ঘটনার পর উত্তেজিত এলাকাবাসী মহাসড়কের অন্তত ছয়টি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে স্থানীয়রা সড়কটি অবরোধ করে রেখেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে খুলনাগামী একটি ডিমবাহী ট্রাক সোয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এসে চাকা ফেটে সড়কের ওপর উল্টে পড়ে। এতে সড়কের ওপর ডিম ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ডিম কুড়াতে এগিয়ে আসে। ওই সময় ঢাকা থেকে নড়াইলগামী নড়াইল এক্সপ্রেসের একটি বাস রাস্তায় থাকা লোকজনকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজন নিহত হন। আহত হয়েছেন অন্তত সাতজন।
পরে এলাকাবাসী উত্তেজিত হয়ে অন্তত ছয়টি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং ওই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে ওই মহাসড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজন বিরাজ করছে। তারা মহাসড়কে অবস্থান করছেন।
ভাঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলালউদ্দিন বলেন, বর্তমানে মহাসড়কে অবরোধকারীরা নেই। তবে পুড়িয়ে দেওয়া গাড়ি সরিয়ে সড়কের পাশে নেওয়ার কাজ করছি আমরা। এজন্য এখনও মহাসড়ক বন্ধ রয়েছে।
খুলনা গেজেট/এএজে

