বিশ্বকাপে ডি গ্রুপের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ও প্যারাগুয়ে গোলশূন্য ড্র করেছে। তাতে কাতারের পর টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপে নকআউটে খেলা নিশ্চিত করেছে সকারুরা। ১২টি তৃতীয় দলের মধ্যে সেরা আটটির একটি হয়ে শেষ ৩২ এ খেলার সম্ভাবনা আছে প্যারাগুয়েরও।
দুই দলই তুরস্কের বিপক্ষে জিতে তিনটি করে পয়েন্ট নিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারাতে মুখোমুখি হয়েছিল। ম্যাচটি জিতলেই দ্বিতীয় স্থানে থেকে নকআউট, এমন সমীকরণ ছিল অস্ট্রেলিয়া ও প্যারাগুয়ের সামনে। অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার জন্য ড্র-ই যথেষ্ট ছিল। কারণ গোল ব্যবধানে তারা প্যারাগুয়ের চেয়ে এগিয়ে। এই ড্রয়ে সকারুদের সমান ৪ পয়েন্ট নিয়ে নকআউটে ওঠার দৌড়ে টিকে থাকল দক্ষিণ আমেরিকান দেশও।
২০০৬ ও ২০২২ সালে শেষ ষোলোতে হারের পর এনিয়ে তৃতীয়বার অস্ট্রেলিয়া নকআউট পর্বে উঠল। আগামী ৩ জুলাই টেক্সাসের আর্লিংটনে শেষ ৩২ এর ম্যাচ খেলবে সকারুরা। তারা মুখোমুখি হবে ‘জি’ গ্রুপের রানার্সআপ দলের সঙ্গে, প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত হবে আজ রাতে। পঞ্চমবার নকআউটে ওঠার দৌড়ে ভালো অবস্থানে আছে প্যারাগুয়ে, তবে ভাগ্য জানতে অপেক্ষা করতে হবে তাদের।
প্রথমার্ধে বেশ কিছু ভালো সুযোগ পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। প্যারাগুয়ে গোলকিপার অরল্যান্ডো গিল শুরুতেই জ্যাকসন আরভিনের একটি দারুণ সুযোগ রুখে দেন। পরে স্টপেজ টাইমে ক্রিস্টিয়ান ভোলপাতোর বিরুদ্ধে সেভ করেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও সতর্ক খেলা খেলে দুই দল। প্রথমার্ধের চেয়ে শেষ ৪৫ মিনিট প্যারাগুয়ে বল বেশি দখলে রেখেছিল। কিন্তু কোনো দল গোলের কাছে যেতে পারেনি। ৯০তম মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সেরা সুযোগ পান জর্ডান বস। কিন্তু বক্সের ডান প্রান্ত থেকে নেওয়া তার শট গোলবারের পাশ দিয়ে যায়।
অস্ট্রেলিয়ার গোলকিপার প্যাট্রিক বিস স্টপেজ টাইমে মাউরিসিওর দুর্বল নিচু শট সহজে ঠেকান। অস্ট্রেলিয়ার কোচ টনি পাপোভিচ লাইনআপে ছয়টি পরিবর্তন আনেন, প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেন ১৮ বছর বয়সী লুকাস হেরিংটনকে। তাতে সর্বকনিষ্ঠ অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে খেলার মর্যাদা পান তিনি।
প্যারাগুয়ের জন্য কিছুটা অস্বস্তির খবর আছে। গ্রুপ ম্যাচে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখায় তাদের মিডফিল্ডার ডিয়েগো গোমেজ সম্ভাব্য শেষ ৩২ এর ম্যাচে খেলতে পারবেন না।
খুলনা গেজেট/এনএম

