রবিবার । ২১শে জুন, ২০২৬ । ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩

আসামির প্রাইভেটকারের ওপর নজর পড়ে পুলিশ কর্মকর্তা তৈমুরের

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক আইজি বেনজীর আহমেদের সহযোগি কেএমপি’র সদ্য বদলি হওয়া পুলিশ পরিদর্শক তৈমুর ইসলামের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অতি গোপনীয় প্রতিবেদনে আসামির গাড়ির দিকে নজর পড়ে। মোটরকার (সিএইচআর নং ঢাকা মেট্রো ঘ ০২-১২৮০) কেএমপি’র জব্দ তালিকায় থাকলেও অজ্ঞাতস্থানে রাখা হয়। এটি নিজের নামে নেওয়ার জন্য নানা ফাঁদ ফেলে এ কর্মকর্তা।

কেএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো অতিগোপনীয় প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ পায়। প্রতিবেদনে বলা হয় চানমারী এলাকার জুলফিকারের ছেলে সজীব হোসেন মাদক কারবারি, ছিনতাইকারী, অস্ত্রধারী ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণকারী। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে এ আসামি জেল হাজতে ছিল। এ মামলায় তদবির করাকালীন সময়ে আসামির মা জুলেখা বেগম এ পুলিশ কর্মকর্তার শরণাপন্ন হয়। প্রতিবেদনে বলা হয় ২০২৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ২ জানুয়ারির মধ্যে যে কোনো সময়ে আসামির মায়ের কাছ থেকে বিকাশে দু’লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেন। পুলিশ পরিদর্শক মোটরকারটি নিজের নামে লিখে দেওয়ার জন্য আসামির মাকে চাপ সৃষ্টি করে। অন্যথায় তার সন্তানকে বিভিন্ন মামলায় আসামি করার ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। আসামির মা গাড়িটি হস্তান্তর করতে অপারগতা প্রকাশ করলে পুলিশ কর্মকর্তা পাঁচ লাখ টাকা উৎকোচ দাবি করে। পুলিশের তদন্ত টিম গাড়ির মালিককে তাদের সামনে উপস্থিত হতে এবং জবানবন্দি দেওয়ার জন্য নোটিশ করলে তিনি পুলিশের সামনে আসেননি। মোটরযানের মালিকানা যাচাইয়ের পর তদন্ত টিম আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ কবির হোসেন তদন্ত টিমের কাছে প্রাইভেটকারটি সম্পর্কে তথ্য দেন। তিনি গাড়ি আটকের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় দলিল উপস্থাপনের জন্য তদন্ত টিম পরামর্শ দেন। ২০২৫ সালের ১৯ মার্চ বিআরটিএ এর প্রতিবেদনের পর আদালতের আদেশমূলে ডিবি গাড়ির প্রকৃত মালিকের জিম্মায় দিয়ে দেন।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন