মঙ্গলবার । ২রা জুন, ২০২৬ । ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

বিশ্বকাপ ফুটবল, বাকি মাত্র ০৯ দিন

মোঃ আনিস উদ্দিন

বিশ্ব ফুটবলের মহারণ শুরু হতে আর মাত্র ৯ দিন বাকি। গ্লোবাল ডিকশনারিতে সবচেয়ে চেনা শব্দগুলোর তালিকা করলে ওপরের দিকেই থাকবে ‘ফুটবল’। আফ্রিকার বিদ্যুৎহীন, অনুন্নত গ্রাম থেকে শুরু করে ফার্স্ট ওয়ার্ল্ডের যে কোনো আধুনিক মেগাসিটি- ভৌগোলিক ও সামাজিক সব ব্যবধান এক নিমিষেই মুছে দিতে পারে এই একটি গোল চামড়ার বল।
সময়ের পরিক্রমায় আবারও আর একটি ফুটবল বিশ্বকাপ আমাদের ঘরের দুয়ারে দাড়িয়ে। ফুটবল বিশ্বকাপ এর জ্বরে সারা পৃথিবীর মত কাঁপছে বাংলাদেশও। সারা বছর ক্রিকেটের ভিড়ে ফুটবল আড়ালে থাকলেও ফুটবল বিশ্বকাপ এলে বাঙ্গালীর ফুটবল প্রেম কিংবা উন্মাদনা চোখে পরার মত। প্রতিটি পাড়ায় মহল্লায় ইতিমধ্যেই তাদের পছন্দের দল এর সমর্থক গোষ্ঠী গড়ে উঠেছে। নিজের পছন্দের দলের গুণগান করার পাশাপাশি প্রতিপক্ষ দলের দুর্নাম করায় ব্যস্ত সবাই। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যকার শীতল যুদ্ধ উপভোগ্য। আর মাত্র কয়েকদিন পরেই শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের ২০২৬ সালের জমজমাট আসর। বিশ্বকাপের পূর্বের আসরগুলোতে জড়িয়ে আছে হাসি- কান্না , সাফল্য – ব্যর্থতার মুহূর্ত। আসুন ফিরে দেখি বিশ্বকাপ ফুটবলের কিছু বিতর্কিত, কলঙ্কিত এবং স্মরণীয় মুহূর্ত।

ডিয়াগো ম্যারাডোনা ফুটবলের একজন জীবন্ত কিংবদন্তী। সাফল্যের পাশাপাশি বিতর্কও ম্যারাডোনার পিছু ছাড়ে নি। মাদকাসক্ত এবং নারী কেলেঙ্কারি নিয়ে বিতর্ক ছিল ম্যারাডোনার নিত্য দিনের সঙ্গী। কিন্তু ম্যারাডোনার ফুটবল দক্ষতা নিয়ে কারো প্রশ্ন তোলার অবকাশ ছিল না। সেই ম্যারাডোনাই জন্ম দেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা বিতর্কের। ম্যারাডোনার একটি গোল যা “ হ্যান্ড অফ গড” নামে পরিচিত। মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা এবং ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধ গোল শূন্য ড্র এর পর দ্বিতীয়ার্ধের ছয় মিনিটের মাথায় ইংল্যান্ড এর ডিবক্সের ভিতর উড়ে আসা বলকে হেড দিতে লাফিয়ে উঠেন ম্যারাডোনা এবং ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক পিটার শিল্টন। আশ্চর্যজনক ভাবে পিটার শিল্টন এর থেকে ৮ ইঞ্চি খাটো ম্যারাডোনা লাফিয়ে হেড দিয়ে গোল করেন। যদিও স্পষ্টই দেখা যাচ্ছিল ম্যারাডোনা হাত দিয়ে বল জালে পাঠাচ্ছেন কিন্তু রেফারি কিংবা লাইন্সম্যান দেখতে ব্যর্থ হন। ম্যারাডোনার এই গোলটি বিশ্বকাপ ফুটবলের অন্যতম বিতর্কিত গোল হিসাবে টিকে আছে।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন