বিশ্ব ফুটবলের মহারণ শুরু হতে আর মাত্র ১০ দিন বাকি। গ্লোবাল ডিকশনারিতে সবচেয়ে চেনা শব্দগুলোর তালিকা করলে ওপরের দিকেই থাকবে ‘ফুটবল’। আফ্রিকার বিদ্যুৎহীন, অনুন্নত গ্রাম থেকে শুরু করে ফার্স্ট ওয়ার্ল্ডের যে কোনো আধুনিক মেগাসিটি-ভৌগোলিক ও সামাজিক সব ব্যবধান এক নিমিষেই মুছে দিতে পারে এই একটি গোল চামড়ার বল।
সময়ের পরিক্রমায় আবারও আর একটি ফুটবল বিশ্বকাপ আমাদের ঘরের দুয়ারে দাড়িয়ে। ফুটবল বিশ্বকাপ এর জ্বরে সারা পৃথিবীর মত কাঁপছে বাংলাদেশও। সারা বছর ক্রিকেটের ভিড়ে ফুটবল আড়ালে থাকলেও ফুটবল বিশ্বকাপ এলে বাঙ্গালীর ফুটবল প্রেম কিংবা উন্মাদনা চোখে পরার মত। প্রতিটি পাড়ায় মহল্লায় ইতিমধ্যেই তাদের পছন্দের দল এর সমর্থক গোষ্ঠী গড়ে উঠেছে। নিজের পছন্দের দলের গুণগান করার পাশাপাশি প্রতিপক্ষ দলের দুর্নাম করায় ব্যস্ত সবাই। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যকার শীতল যুদ্ধ উপভোগ্য। আর মাত্র কয়েকদিন পরেই শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের ২০২৬ সালের জমজমাট আসর। বিশ্বকাপের পূর্বের আসরগুলোতে জড়িয়ে আছে হাসি- কান্না , সাফল্য – ব্যর্থতার মুহূর্ত। আসুন ফিরে দেখি বিশ্বকাপ ফুটবলের কিছু বিতর্কিত, কলঙ্কিত এবং স্মরণীয় মুহূর্ত।
চিলিতে অনুষ্ঠিত ১৯৬২ সালের বিশ্বকাপে ইতালি এবং চিলির মধ্যকার ম্যাচটি বিশ্বকাপের আর একটি কলঙ্কিত ম্যাচ। ম্যাচটিকে অবশ্য ফুটবল ম্যাচ না বলে মার্শাল আর্টস এর প্রদর্শনী বলাই ভাল। ফ্লাইং কিক, কিল – ঘুষি কি ছিল না সেই ম্যাচে। কাউকে কাউকে কাবাডি খেলতেও দেখা যায় সেই ম্যাচে। মাঠের যুদ্ধাবস্থা নিয়ন্ত্রনের জন্য তিনবার পুলিশের সাহায্য নিতে হয় রেফারিকে। ২রা জুন ১৯৬২ সালের ঐ ম্যাচটি ব্যাটেল অফ সান্তিয়াগো নামে পরিচিত। ম্যাচ শেষে ইতালি টিমকে পুলিশের প্রোটেকশনে মাঠ থেকে বেরুতে হয়। উক্ত ম্যাচের দায়িত্ব পালনকারি ডাচ রেফারি লিও হর্ণ ঐ ম্যাচ সম্পর্কে বলেন, “আই ওয়াজ নট রেফিং এ ফুটবল ম্যাচ, আই ওয়াজ এ্যাক্টিং এজ এন আম্পায়ারইন মিলিটারী মেনিউভিযার্স।”
খুলনা গেজেট/এনএম

