বিদ্যুৎ সংকট দূর করতে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার মধ্যে সব মার্কেট, শপিংমল, দোকানপাট বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকারের নির্দেশ প্রতিপালনে খুলনা নগরীর মার্কেটগুলোতে তৎপর হয়ে ওঠে পুলিশ। তাদের তৎপরতায় নির্ধারিত সময়েই বন্ধ হয়ে সব ধরনের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
এমন পরিস্থিতি কেডিএর ময়ূরী আবাসিক এলাকায় বসানো হয়েছে বৈশাখী উৎসব নামের মেলা। সন্ধ্যার পর নানান আলোর রোশনাই দেখা যায় সেখানে। নগরীর মার্কেটগুলো নির্ধারিত সময়ে বন্ধ হলেও পুলিশ প্রহরায় গভীর রাত পর্যন্ত চালু থাকছে মেলার দোকানপাট। বসছে গাণের আসরও। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।
জানা গেছে, গত ২৪ এপ্রিল ময়ূর আবাসিক এলাকায় ১০ দিনের বৈশাখী উৎসবের অনুমতি দিয়েছে কেডিএ। বয়রা এলাকার কিছু ব্যবসায়ী সেখানে মেলা বসিয়েছেন। দিনের বেলা প্রচন্ড রোডে তরুণ-তরুণীদের আড্ডাস্থল হয়ে উঠছে মেলা। রাতে সেখানে ভিড় করছেন বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ। বিদ্যুৎতের লোডশেডিং এবং নাজুক আইনশৃংখলা পরিস্থিতির মধ্যে ময়ূর আবাসিকের মতো জায়গা এ ধরনের আয়োজন নিয়ে সমালোচনা চলছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, চলতি মাসের শুরুতে বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে মেলার আয়োজনের প্রস্তুতি নেয় কয়েকজন ব্যবসায়ী। কিন্তু নগরীর আইনশৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি, বিদ্যুতের অপচয় দূর করতে সব ধরনের মেলার আয়োজনে অনুমতি থেকে বিরত থাকে পুলিশ। কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুও এ ধরনের আয়োজনে প্রশাসনকে নিরুৎসাহিত করেন। তারপরও সরকারের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার কেডিএ কি বিবেচনায় মেলা আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে, তা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
কেডিএর এস্টেট অফিসার সাহানা তাবাসসুম বলেন, ২৪ এপ্রিল তাদের ১০ দিনের জন্য বৈশাখী উৎসবের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে কয়টা পর্যন্ত তারা কার্যক্রম চালাতে পারবে তা-দেখে বলতে হবে।
নগরীর হরিনটানা থানার ওসি মোঃ হেলাল উদ্দিন বলেন, আমাদের কাছে অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে। আমরা এখনও প্রতিবেদন জমা দেইনি। অনুমতি ছাড়া কেউ মেলা চালালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
খুলনা গেজেট/এনএম

