ড্রোন ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কাছ থেকে বেলুচিস্তান প্রদেশ পুনরুদ্ধার করেছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। ওই প্রদেশে প্রায় তিন ধরে চলা সহিংসতায় সাধারণ মানুষ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ ৫৮ জন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিচ্ছিন্নতাবাদী বেলুচ লিবারেশন আর্মির (বিএলএ) সমন্বিত হামলায় পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় প্রদেশ বেলুচিস্তান প্রায় অচল হয়ে যায়। এ সময় বিদ্রোহীরা একাধিক স্থানে বিস্ফোরণ ঘটায় এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে জড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানান, এসব অভিযানে তারা ১৯৭ জন ‘জঙ্গিকে’ হত্যা করেছেন।
প্রায় ৫০ হাজার জনসংখ্যার মরু শহর নুশকিতে বিদ্রোহীরা পুলিশ স্টেশন ও অন্যান্য নিরাপত্তা স্থাপনার দখল নেয়, যার ফলে সেখানে টানা তিন দিন ধরে অচলাবস্থা তৈরি হয়। নুশকির সহকারী কমিশনার মারিয়া শামুন জানান, ‘গত ৩১ জানুয়ারি ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কয়েকজন দুষ্কৃতকারী চুপিসারে আমাদের বাড়িতে ঢুকে সবকিছু দখল নেয়। তারা ডেপুটি কমিশনার কমপ্লেক্স দখলে নিয়ে ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ হুসেইন ও তার পরিবারকে জিম্মি করে।’
পুলিশ জানায়, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে শহরের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের আগে সংঘর্ষে সাতজন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। একই সঙ্গে প্রদেশের অন্যান্য এলাকায় বিএলএর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকে। দেশটির এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, ‘জঙ্গিদের বিরুদ্ধে হেলিকপ্টার ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।’
নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানান, শনিবার ভোর ৪টায় নুশকি ও বন্দর শহর পাসনিতে আত্মঘাতী বিস্ফোরণের মাধ্যমে হামলা শুরু হয়। পরে কোয়েটাসহ আরও ১১টি স্থানে বন্দুক ও গ্রেনেড হামলা চালানো হয়।
সূত্র: রয়টার্স
খুলনা গেজেট/এএজে



