ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে শেষ মুহূর্তে বাদ পড়েছে বাংলাদেশ। নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতের বিশ্বকাপ ম্যাচগুলো তারা শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেছিল আইসিসিকে। কিন্তু তাদের অনুরোধ রাখেনি বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থা, বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
আর বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি দিয়ে রেখেছে পাকিস্তান। দ্য গার্ডিয়ান বলছে- যদি অন্য কোনো দেশের বয়কটের আশঙ্কা থাকে তাহলে ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটি ভারতকে আয়োজকের মর্যাদা দেবে না।
অলিম্পিক কমিটির এক সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে- অলিম্পিক আয়োজনের বিশ্বাসযোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হওয়ার জন্য ভারতকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও ক্রীড়া সম্পর্কে বাস্তব অগ্রগতি দেখাতে হবে। বর্তমানে দুটি প্রতিবেশি দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক তিক্ত।
অলিম্পিক সনদে বলা হয়েছে, ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে সায়ত্তশাসিত হতে হবে, সঙ্গে তাদের নিয়ম ও প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণও থাকতে হবে। সেখানে কোনো রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ থাকা চলবে না। এই নীতি জোরদার করা হয়েছে ৫০.২ ধারায়, সেখানে অলিম্পিক গেমসে কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় অভিব্যক্তি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এই ধরনের নিয়ম বেশ কঠোরভাবে প্রয়োগ করে আইওসি। গত অক্টোবরের ঘটনা, ইন্দোনেশিয়াকে ভবিষ্যতে অলিম্পিক ইভেন্ট আয়োজনের ব্যাপারে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েীছল। বিশ্ব আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিকস চ্যাম্পিয়নশিপে ইসরায়েলি দলকে ভিসা না দেওয়ায় এই শাস্তির মুখে পড়ে ইন্দোনেশিয়া।
ভারতের বিশাল বাজারে ছাপ রাখার কৌশল হিসেবে আইওসি ক্রিকেটকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। কিন্তু এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, কোনো মূল্যেই তারা তাদের নিয়মের সঙ্গে আপস করবে না।
২০৩৬ সালের অলিম্পিক গেমস আহমেদাবাদে আয়োজনের ইচ্ছা ব্যক্ত করেছে ভারত। আয়োজক হওয়ার দৌড়ে তাদের সঙ্গে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে কাতার। তার আগে ২০৩০ সালে কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন করবে ভারত, ক্রিকেটীয় ইস্যু এই আসরকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলবে আশা করা হচ্ছে।
খুলনা গেজেট/এমআর



