মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিয়ে গড়ে ওঠা গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট খুলনার ৬ আসনেই প্রার্থী দেবে। আগামী শুক্রবার স্থানীয় সিপিবি কার্যালয়ে তারা প্রার্থীতা চূড়ান্ত করবে। ৯ বাম দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গড়ে উঠলেও প্রাধান্য বিস্তার করছে সিপিবি ও বাসদ।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন ও ৮ দলীয় ইসলামী জোটের বিপরীত ধারায় গড়ে উঠেছে এ নয়া যুক্তফ্রন্ট। ফ্রন্টের আদর্শ ও দর্শনের উল্টো মেরুতে তাদের অবস্থান। বিশেষ করে গণভোট ও জুলাই সনদে স্বাক্ষর দান থেকে বিরত থেকে এ প্লাটফর্ম দাঁড় করিয়েছে। মার্কসবাদী দর্শনের ওপর ভিত্তি করে তাদের এ ইউনিটি। নির্বাচনকে সামনে রেখে শোষণ মুক্তির লড়াই তীব্রতর করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে। এতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, শোষণমুক্ত সমাজ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার বক্তব্য প্রাধান্য পেয়েছে। জোটের ভাষ্য এ নির্বাচনে কালো টাকা ও পেশীশক্তির প্রভাব পড়বে। আগামীর নির্বাচিত পার্লামেন্টের কাছে বৈষম্যবিরোধী অবস্থান আশা করা যায় না।
এ বিবেচনা থেকে শোষণ মুক্তির লড়ায় তীব্রতর করতে খুলনা-১ আসনে কিশোর কুমার রায়, খুলনা-২ আসনে এ্যাড. নিত্য নন্দ ঢালী, খুলনা-৩ আসনে জর্নানন্দ দন্ত নান্টু, খুলনা-৪ আসনে আনিসুর রহমান মিঠু, খুলনা-৫ আসনে এ্যাড. চিত্ত রঞ্জন গোলদার ও খুলনা-৬ আসনে শেখ আব্দুল হান্ননকে প্রার্থী করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গ নিয়ে সিপিবি নেতা এ্যাড. রুহুল আমীন বলেন, “শুক্রবার প্রার্থীতা চূড়ান্ত করা হবে। এ জোট অসম্প্রদায়ীক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে। প্রগতিশীল চিন্তা থেকে তাদের এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ।” বাংলাদেশ জাসদ এর স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল হক খোকন বলেছেন, “৫৪ বছরে জনগণের রাষ্ট্র হয়নি। সেই লক্ষ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণ। ন্যায় বিচার, সমতা, গণতন্ত্র ও জনগনের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে অংশগ্রহণ।”
খুলনা গেজেট/এনএম
