বৃহস্পতিবার । ৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ । ২২শে মাঘ, ১৪৩২

জনসভামঞ্চে খুলনার উন্নয়নে যেসব দাবির কথা তুলে ধরলেন বিএনপি’র প্রার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘ ২২ বছর পর খুলনায় আসেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনকে ঘিরে তার খুলনা সফর। বিএনপি সরকার গঠন করলে খুলনার উন্নয়নে কি কি কাজ করবে সেই প্রতিশ্রুতি কিছু দলীয় প্রধানের সামনে খুলনাবাসীর কাছে তুলে ধরেন বিএনপি প্রার্থীরা।

খুলনা-১ আসন বিএনপি’র প্রার্থী আমীর এজাজ খান বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে দাকোপ-বটিয়াঘাটায় টেকসই বেড়ি বাঁধ নির্মাণ হবে। পোদ্দারগঞ্জ ব্রিজ নির্মাণ হবে। রাস্তা-ঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন হবে। এ অঞ্চলের হিন্দুদের নিরাপত্তা দেওয়া হবে। তারেক রহমানের নির্দেশ আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার নির্দেশ।

খুলনা-২ আসনের প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, খুলনায় ভোট বিপ্লব হবে। খুলনার উন্নয়নে তারেক রহমান সব তথ্য সংগ্রহ করেছেন। বন্ধ শিল্প নগরীর হারানো গৌরব তিনি খুলনাবাসীকে ফিরিয়ে দিবেন। পর্যটন শিল্প গড়ে তুলবেন। তরুণদের কাজের সংস্থা করবেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটাবেন। খুলনা হবে এ অঞ্চলের মডেল ৮ বিভাগের মধ্যে। আমরা তাকে ৭ দফা দিয়েছি। খুলনাবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করেছি। আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে ভোট বিপ্লবের মধ্য দিয়েই একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।

খুলনা-৩ আসনের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, শিল্প নগরী খালিশপুর এক সময় কর্মমুখর ও প্রাণ চাঞ্চল্যে ভরপুর ছিল। মানুষের পেটে ভাত ছিল। মুখে হাসি ছিল। সন্তানেরা স্কুলে লেখাপড়া করত। আজ সেই শিল্প নগরী মৃত নগরীতে পরিণত হয়েছে। ওই এলাকার মা-বোনেরা বলেছেন, আমাদের নেতার সাথে আপনার দেখা হলে বলবেন এই এলাকার শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় খুলে দিতে এবং নতুন করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। ছাত্র ভাইয়েরা বলেছে, আমাদের নেতার সাথে দেখা হলে বিএল কলেজকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় করতে হবে। এখানে উন্নত মানের হাসপাতাল নেই, এখনকার মানুষ এখানে উন্নত হাসপাতাল চায়। জনগণ নেতাকে নির্বাচিত করলে সারা দেশের উন্নয়ন হবে।

খুলনা-৪ আসনের প্রার্থী আজিজুল বারি হেলাল বলেন, এ অঞ্চল হলো শিল্প অঞ্চল। এ অঞ্চলের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে চাইলে তারেক রহমানের কোনো বিকল্প নেই।

খুলনা-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী আলী আসগর লবী বলেন, ডুমুরিয়া-ফুলতলা এলাকার জলাবদ্ধতা সবচেয়ে বড় সমস্যা। দল নির্বাচিত হলে বিল ডাকাতিয়াতার সমাধান করা হবে। শিরোমণি এলাকার জুট মিলগুলো বন্ধ থাকায় বেকারত্ব বেড়ে গেছে। দল ক্ষমতায় এলে এবং আমি নির্বাচিত হলে চালু করার ব্যবস্থা করব। রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন করব।

খুলনা-৬ আসনে বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পি বলেন, সুন্দরবন সংলগ্ন এ অঞ্চলে দীর্ঘদিন কোনো উন্নয়ন হয়নি। এ এলাকার মানুষ উন্নয়ন বঞ্চিত মানুষ। এ অঞ্চলের মানুষ অবহেলিত মানুষ। তাদের আমরা উন্নত জীবন যাত্রার স্বপ্ন দেখাতে চাই। আগামীতে কয়রা-পাইকগাছায় উন্নত পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করতে চাই। এখানে স্থায়ী ও টেকসই বেড়ি বাধ নির্মাণ করতে চাই। ২৫০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ করতে চাই। এ এলাকার মানুষ সুপেয় পানি পায়না। শতভাগ পরিবারকে সুপেয় পানির আওতায় আনতে চাই। আইলা সিডরের পর রাস্তা ঘাট নষ্ট হয়েছে সেগুলো আর নতুন করে মেরামহ হয়নি, আধুনিক কয়রা-পাইকগাছা গড়তে চাই।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন