কর্মীসভায় সেখ জুয়েল এমপি

তালুকদার খালেককে সাথে নিয়ে খুলনার অসমাপ্ত কাজ শেষ করার সুযোগ দিন

নিজস্ব প্রতি‌বেদক

খুলনা মহানগরীর ৩১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নব-নির্বাচিত ওয়ার্ড কমিটির পরিচিতি ও কর্মীসভা শুক্রবার বিকাল ৪টায় নগরীর খানজাহান আলী সেতু চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। সম্মানিত অতিথির বক্তৃতা করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভ্রাতুষ্পুত্র ও খুলনা- ২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা ও সহ-সভাপতি এ্যাড. আইয়ুব আলী শেখ। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তৃতা করেন সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম।

সম্মানিত অতিথির বক্তৃতায় সেখ জুয়েল এমপি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের স্বপ্নের পদ্মা সেতু হয়েছে। বঙ্গবন্ধু মেট্রোরেল ও কর্ণফুলি ট্যানেলের কাজ প্রায় শেষের পথে। অতিশীঘ্রই বাংলাদেশে পাতাল রেলের কাজ শুরু হবে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো খুলনার উন্নয়নের কাজ এগিয়ে চলেছে। ইতিমধ্যে খুলনায় ক্যান্সার, শিশু ও ডেন্টাল হাসপাতাল এবং মেডিক্যাল বিশ^বিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। খুলনার আরো উন্নয়ন হবে। আজ আমাদের সমর্থ অনেক বেড়েছে। আমরা বিশে^ পোষাক ও ঔষধ রপ্তানিতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছি। অদূর ভবিষ্যতে আমরা বহির্বিশ^কে সাহায্য করবো। তারপরও ‘৭১ এর কুচক্রীরা এই উন্নয়নকে অপব্যাখ্যা দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করছে। এ বিষয়ে আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, খুলনার উন্নয়নে এ অঞ্চলের প্রবীন রাজনীতিবিদ তালুকদার আব্দুল খালেক খুলনার কাজ করছেন। খুলনার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তালুকদার আব্দুল খালেককে আবারও মেয়র হিসেবে ভোট দিতে হবে। তালুকদার খালেককে সাথে নিয়ে খুলনার অসমাপ্ত কাজ শেষ করার সুযোগ দিন।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ৩১নং ওয়ার্ডের এ অঞ্চলে এক সময় চলাচল করা যেত না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে আমাকে অর্থ দিয়েছে। আমি আপনাদের যাতায়াতের ব্যবস্থাসহ জীবনমানের উন্নয়ন করেছি। খুলনা খাল খনন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ড্রেন নির্মান করা হয়েছে। ৩৩টি রাস্তার কাজ শেষ হয়েছে। ৩টি খাল খননসহ সুইস গেট নির্মান করা হয়েছে। এই ওয়ার্ডে সবচেয়ে বেশি কাজ করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলকে খুলনার জন্য মনোনয়ন দিয়েছেন। তাঁর খুলনার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা রয়েছে। সেই জায়গা থেকে তিনি খুলনার উন্নয়ন করে যাচ্ছে। আগামী নির্বাচনে সেই বিষয়টি আপনারা বিবেচনায় রাখবেন।

এসময়ে অন্যান্যে মধ্যে বক্তৃতায় সদর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ মো. আবু হানিফ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এম এ নাসিম, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, ৩১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আরিফুল ইসলাম মিঠু, মহিলা কাউন্সিলর রেকসোনা কালাম লিলি, জেলা পরিষদের সাবেক প্যানের চেয়ারম্যান এ্যাড. জেসমিন সুলতানা জলি, নগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মোল্লা, ৩১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিন আলম।

৩১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এ্যাড. মুন্সি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম তালুকদার পরিচালনায় এসময়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, কাউন্সিলর শামছুজ্জামান মিয়া স্বপন, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, হাফেজ মো. শামীম, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, মো. তরিকুল আলম খান, কাজী জাহিদ হোসেন, এস এম আকিল উদ্দিন, মো. মোতালেব হোসেন, রনজিত কুমার ঘোষ, মীর বরকত আলী, কাউন্সিলর এস এম মোজাফফর রশীদি রেজা, কাউন্সিলর মাহফুজুর রহমান লিটন, এ্যাড. এনামুল কবীর, এ্যাড. তারেক মাহমুদ তারা, এ্যাড. সাজ্জাত আলী, বাদল সরদার বাবুল, মো. মোতালেব মিয়া, মোস্তফা কামাল, কাজী কামাল হোসেন, কামরুল ইসলাম, মো. শহীদুল হাসান, মো. শরিয়ফুল ইসলাম মুন্না, মাহমুদুল ইসলাম সুজন, মাহমুদুর রহমান রাজেস, আমিরুল ইসলাম বাবুসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন