শুক্রবার । ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ । ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২

প্রথম কর্মদিবসেই সরকারি হাসপাতালে ছুটে গেলেন এমপি

গেজেট প্রতিবেদন

শপথ গ্রহণের পর জেলায় ফিরে প্রথম কর্মদিবসেই স্বাস্থ্যখাতকে অগ্রাধিকার দিলেন মাগুরা-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি জেলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তার কার্যক্রম শুরু করেন।

হাসপাতালে পৌঁছে তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। রোগী ও তাদের স্বজনদের কাছ থেকে সরাসরি অভিযোগ ও সমস্যার কথা শোনেন। অনেকেই চিকিৎসক ও নার্সের স্বল্পতা, পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বিলম্ব এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। এসব বিষয়ে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন সংসদ সদস্য।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ, চিকিৎসাসেবা, জরুরি বিভাগ ও ভর্তি ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন তিনি। এ সময় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (সুপার) ডা. মোহসিন উদ্দিন ফকিরসহ সিনিয়র চিকিৎসক ও নার্সরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম এবং মাগুরা ও শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মনোয়ার হোসেন খান জানান, শপথ নেয়ার পরপরই মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি মাথায় এসেছে। সে কারণেই প্রথমেই হাসপাতালে এসেছি। তিনি জানান, সদর হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মান বাড়াতে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে। তবে লোকবল সংকটের কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ধাপে ধাপে হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়ন করা হবে। চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি। মাগুরা মেডিকেল কলেজের বিষয়ে তিনি বলেন, স্থায়ী ক্যাম্পাস ও মেডিকেল হাসপাতাল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণের কাজ দ্রুতই শুরু হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

স্বাস্থ্যখাতকে অগ্রাধিকার দেয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করে সংসদ সদস্য জানান, পরিকল্পিত উদ্যোগ ও সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে মাগুরাকে একটি মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চান। এজন্য প্রশাসন, চিকিৎসক সমাজ ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে, দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম দিনেই হাসপাতালে সরেজমিন উপস্থিত হওয়াকে সাধারণ মানুষ ইতিবাচকভাবে দেখছেন। অনেকের মতে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবায় দৃশ্যমান পরিবর্তন এলে তার সুফল পাবে জেলার সাধারণ মানুষ।

খুলনা গেজেট/এমএনএস




খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন