একদিন অতিবাহিত হলেও দিঘলিয়ায় ভ্যান চালক সমীর ভট্ট হত্যাকাণ্ডে জড়িত কাউকে এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো মামলাও দায়ের করা হয়নি। তবে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে থানায় নিলেও পরবর্তীতে পরিবারের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এর আগে দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। স্থানীয় কেতলা শ্মশানঘাটে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দিঘলিয়া উপজেলার গাজীরহাট ইউনিয়নের মোল্লাাডাঙ্গা এলাকার ইটলু মোল্লার বাড়ির পাশ থেকে ভ্যান চালক সমীর ভট্টের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে পুলিশ।
দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম বলেন, “রাতে তেরখাদা উপজেলার বারাসাত গ্রাম থেকে মৃত সমীর ভট্টের ভ্যান উদ্ধার করা হয়। হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া একজনের গেঞ্জি ভ্যানের ওপর পাওয়া গেছে। রবিবার ঘটনাস্থলের আশপাশ থেকে ৫-৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় তলব করা হয়। পরবর্তীতে তাদের পরিবারের সদস্যদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে খুলনা জেলা পুলিশের বিশেষ তিনটি টিম কাজ করছে।”
তিনি আরও বলেন, “শনিবার বিকেলে গাড়ি চালানোর জন্য বাড়ি থেকে বের হয় সমীর ভট্ট। কোলা বাজারে অনেকের সাথে তার কথাবার্তা হয়। ঘটনাস্থল নির্জন ও বিদ্যুৎ না থাকায় খুনিরা সহজে ঘটনা ঘটিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। আমরা সন্দেহের তালিকায় কয়েকজনকে রেখেছি। তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “দুপুরের পর তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে স্থানীয় একটি শ্মশানঘাটে তার শব দাহ করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় এখনও কোনো মামলা করেনি।”
খুলনা গেজেট/এনএম

