বুধবার । ১৮ই মার্চ, ২০২৬ । ৪ঠা চৈত্র, ১৪৩২

মার্চে শুরু স্বাধীনতার সংগ্রাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোল্লা মোশারফ হোসেন। ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। ছাত্রলীগের মনোনয়নে খুলনা এমএম সিটি কলেজের ভিপি নির্বাচিত হন। তিনি ভারতের বশিরহাট ক্যাম্প থেকে দেরাদুনে রিক্রুট হন এবং সেখান থেকে দমদম এয়ারপোর্টের বিমানযোগে দেরাদুন মিলিটারি ক্যাম্পে পৌঁছান। ক্যাম্পে এক মাস পনেরো দিন প্রশিক্ষণ শেষে পুনরায় ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্টে ফিরে আসেন। তিন দিন পর অস্ত্র গ্রহণ করেন।

পরে জেলা মুজিববাহিনীর প্রধান শেখ কামরুজ্জামান টুকুর নেতৃত্বে পাইকগাছা হাইস্কুলে অবস্থানরত রাজাকার ক্যাম্প দখলে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। সেখান থেকে চুলকাটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। যুদ্ধে একপর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তিনি পুনরায় পাতড়াবুনিয়া ক্যাম্পে ফিরে আসেন। নভেম্বরে শেখ কামরুজ্জামান টুকুর অনুমতি নিয়ে ৮৫ জনের নেতৃত্ব দিয়ে আনন্দনগরে ফিরে এসে আলাইপুর গ্রামে অবস্থান নেন। সেখান থেকে লুকিয়ে রাখা অস্ত্র সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় একদিন জেলা কমান্ডার

শেখ কামরুজ্জামান টুকুর ডাকে গল্লামারীস্থ রেডিও সেন্টার দখলের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ১৭ ডিসেম্বর সকালে খুলনা শহর বিজয়ের পর খুলনা কমার্স কলেজে ক্যাম্প স্থাপিত হলে তিনিসহ তার দল খুলনার আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারি ঢাকায় বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে অস্ত্র জমা দেন এবং নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে তার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন