বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইদ্রিস আলী। পাকিস্তানি সেনাদের অত্যাচারে সবাই যখন পালাচ্ছে ঠিক এমন এক সময় সবাইকে ডেকে নিয়ে মুজিব বাহিনীতে প্রশিক্ষণের জন্য মনোনীত হলেন তিনি। পরের দিন সকাল ১০টায় দমদম বিমানবন্দরে উচ্চ প্রশিক্ষণের জন্যে উত্তর প্রদেশের দেরাদুন জেলায় যেতে হয়। পরের দিন বিমানে ওঠার পর বিমান ছেড়ে দেয় বিকেল ৪টায় শাহারানপুর বিমান বন্দরে বিমান পৌঁছায়। টাণ্ডুয়া ট্রেনিং স্কুলে পৌঁছায়। পরের দিন জাতীয় পরিষদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ অস্ত্র ও গোলাবারুদ বণ্টন করে দেন। পরের দিন হোগলাবুনিয়া ক্যাম্পে রওনা হন। পরে শেখ কামরুজ্জামান টুকুকে পেলেন।
টুকুর নেতৃত্বে কয়েক জায়গায় যুদ্ধ করেন। তার উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ হলো কপিলমুনি। তখন মোংলা রাজাকার ক্যাম্পে হামলা করেন। তখন তাদের এক সহযোদ্ধা মারা যান। বিভিন্ন ক্যাম্প দখল করে পরবর্তীতে অস্ত্র সংগ্রহ করেন। তারপর বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে ঘরে ফিরে আসেন। ৭২ সালের ৩১ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নিকট ঢাকা পল্টন ময়দানে অস্ত্র জমা দিয়ে পিলখানা বিডিআর ক্যাম্পে রক্ষীবাহিনীতে চাকরি নেন। সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হিসেবে অবসর নেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অবদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
খুলনা গেজেট/এনএম

