খুলনার রূপসা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও উপজেলার শ্রমিক দলের সাবেক আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহকে হত্যার পর পালানোর সময় ধাওয়া দিয়ে অস্ত্রসহ শুটারকে আটকের ঘটনায় কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক মাহমুদ আলমকে পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) কেএমপি হেডকোয়ার্টার্সে তাকে নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেএমপি’র ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
এর আগে বুধবার (৪ মার্চ) রাত ৯টার দিকে মহানগরীর ডাকবাংলা মোড়ে বাটা শো-রুমের ভেতরে ঢুকে মো. মাসুম বিল্লাহকে (৪৭) সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিস্তল দিয়ে গুলি করে হত্যার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক মাহমুদ আলম তাৎক্ষণিক সাহসী ভূমিকা গ্রহণ করে জনসাধারণের সহযোগিতায় সন্ত্রাসী অশোক ঘোষকে (৩৮) একটি বিদেশি পিস্তলসহ আটক করেন। এ ঘটনায় সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারে অসীম সাহসিকতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়ায় তাকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
আটকের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক মাহমুদ আলম বলেন, নগরীর ডাকবাংলা মোড় থেকে লোকজন দৌড়ে আসছিল। শুনেছি গুলি করেছে। এ সময় দেখি যে বাটার শো-রুমের ওদিক থেকে একজন রাস্তার মাঝ দিয়ে যাচ্ছে এবং কোমরে একটি পিস্তল গুঁজে রাখছে। এটি দেখে তাকে ধাওয়া করি। স্থানীয় লোকজনকে বলি, তাকে ধরেন, আমি পুলিশ। এ কথা শোনার পরে লোকজন তাকে ধরে। আমি গিয়ে তাকে পিস্তলসহ কোমড়ে ধরে ফেলি। লোকজনকে বলি, আমি পিস্তল ধরেছি, তাকে জাপটে ধরেন যেন ছুটে পালাতে না পারে। পরে আরও তিনজন সার্জেন্ট এগিয়ে আসলে লোকজনের সহায়তায় তাকে ধরে আনি।
খুলনা গেজেট/এএজে

