সন্ধ্যার পর থেকে রেস্টুরেন্টগুলোতে আগের মত জ¦লছে রঙিন বাতি। পরিচ্ছন্ন-পরিপাটি চেয়ার-টেবিল। সুগন্ধি আর শীতল ঘরে মন কেড়ে নেয়। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতা, দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতিসহ নানা কারণে অভিজাত রেস্টুরেন্টগুলোতে আগের সেই জৌলুস নেই। ধারাবাহিকতা রক্ষা ও ক্রেতা টিকিয়ে রাখতে ইফতার সামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে। প্লেট প্রতি ইফতারির মূল্য পাঁচশ’ টাকা থেকে সাড়ে সাতশ’ টাকা। কিন্তু কাক্সিক্ষত ক্রেতা নেই।
নগরীর ওয়েস্টার্ন ইন, রয়্যাল, সিটি ইন, ক্যাসল সালাম ও টাইগার গার্ডেনের এবারের রমজানে একই চিত্র। ইফতার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ছোলা, পেঁয়াজি, কলা, মুড়ি, ছোলা ভুনা, আলুর চপ, শসা, পানি, রুহু আফজা, শাহি জিলাপি, মাল্টা স্লাইচ, সফেদা, পেঁপে, ফিরনি, পরোটা, হালুয়া, লাচ্চা, মাটন, হালিম, ডিমের চপ, আলুর চপ, চিকেন তন্দুরি, চিকেন কাটলেট। হোটেল রয়্যাল ৪৫ প্রকার ইফতার পসরা সাজিয়েছে। এখানে প্রতিটি বেগুনি ও পেঁয়াজি ২০ টাকা করে, খেজুর (দুই পিস) ৪০ টাকা, মুড়ি ১০ টাকা।
হোটেল ওয়েস্টার্ন ইন-এর সহকারী ম্যানেজার মিজানুর রহমান বলেন, ‘বড় ধরনের কোনো বুকিং নেই। গেল চারদিনে ২০ জনের একটি দল ইফতারে অংশ নেয়। আগামী ২৪ দিন এ প্রতিষ্ঠানে বিকিকিনি বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে। বছরের শুরুতে লোকসানের প্রতিষ্ঠান ছিল এটি। এখানে প্রতি প্লেটে ১৩টা আইটেমে ইফতারির মূল্য পাঁচশ’ টাকা, ১৪টি আইটেমের মূল্য ছয়শ’ টাকা।
হোটেল রয়্যালে ভিন্ন ধর্মী খাবার ল্যাজানিয়া চারশ’ টাকা, চিকেন কিমা পরোটা দুইশ’ টাকা, পুডিং সাড়ে তিনশ’ টাকা, কুনাফা পাঁচশ’ টাকা, পাটি সাপটা পিঠা ৮০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠানের ক্যাশিয়ার তাসাদ্দেক আহমেদ বলেন, ‘গেল বছরের তুলনায় এবারের মূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে।’
হোটেল ক্যাসল সালামে স্পেশাল মেন্যুর মধ্যে রয়েছে বিফ হালিম তিনশ’ নব্বই থেকে সাতশ’ টাকা, মাটন হালিম চারশ’ ২০ টাকা থেকে আটশ’ টাকা, থাই ফ্রাইড চিকেন একশ’৩০ টাকা, বিফ সাসলিক দুইশ’ ১০ টাকা ও থাই স্পিলিট গ্রীল চিকেন আটশ টাকা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে।
এখানে সেহরির খাবারের মধ্যে রয়েছে সাদা ভাত, চা-পাতি রুটি, ঘিয়ে ভাজা পরোটা, মিক্সড সবজি ভাজি, ভেটকি দোপেঁয়াজা, বাগদা চিংড়ি ভুনা, চুই ঝালের খাসির মাংস, কড়াই চিকেন ও বিফ কালা ভুনা।
খুলনা গেজেট/এনএম

