সোমবার । ১লা ডিসেম্বর, ২০২৫ । ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

শীতকালীন সবজিতে নেই স্বস্তি, দাম বেড়েছে পেঁয়াজের

নিজস্ব প্রতি‌বেদক

শীতকালীন সবজি নেই হাতের নাগালে। ভরা মৌসুম হলেও দাম যেন কমছেই না। আর গেল এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে পেঁয়াজের দামও। মাছ ও মাংসের বাজারেও নেই স্বস্তি। ফলে বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। ক্রেতাদের অভিযোগ, “খোঁড়া অযুহাতে দাম বাড়ানো হয়েছে।” বিক্রেতারা বলছে, “সরবরাহ কম থাকায় দাম বেশি।”

ক্রেতারা বলেন, “বাজারে অধিকাংশ সবজির দামই ৫০ টাকার উপরে। গত বছর এই সময়ে সবজির দাম অনেক কম ছিল। কিন্তু এবার কোনো কারণ ছাড়াই সবজির দাম বেশি। মানুষ আগে ১০০ টাকায় ব্যাগ ভরে সবজি নিতে পারতো। এখন এক থেকে দুই প্রকার সবজি কিনতেই ১০০ টাকা শেষ। এটি বিক্রেতাদের সিন্ডিকেটের কারণ।”

গতকাল শুক্রবার নগরীর বিভিন্ন বাজারে পেঁয়াজের দাম এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রকারভেদে ১০-২০ টাকা বেড়ে ১১০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি বেগুন ১০০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৬০-২০০, টমেটো ১০০, সীম ১২০, ফুলকপি ৭০, বরবটি ৭০, ঢেঁড়শ ৮০, উচ্ছে ৬০, মূলা ৫০, বাঁধাকপি ৫০, পটল ৭০, লাল শাক, লাউ শাক ও পালং শাক ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আলু ৩০, দেশি রসুন ১০০-১৬০, চীনা রসুন ২০০ টাকা কেজি।

আর ব্রয়লার মুরগি ১৬০, সোনালি ও কক ২৬০, দেশি মুরগি ৫৩০, গরুর মাংস ৭৫০, খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ টাকা কেজি। রুই মাছ (দুই কেজি ওজন) ৩৫০ টাকা কেজি, পাঙ্গাস ১৬০-১৮০, তেলাপিয়া ২০০-২২০, দেশি কৈ ৫৫০, মাঝারি বাগদা চিংড়ি ৮৫০, গলদা ১ হাজার ১০০, বড় পারশে মাছ ৯০০, টেংরা ৬৫০-৮৫০, ভেটকি ৮৫০ এবং দেশি শিং ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কবির হোসেন বলেন, “গতবারের তুলনায় এ বছর সবজির দাম বেশি। ছেলে- মেয়েদের পড়াশোনার খরচ, বাড়ি ভাড়া দিতেই হিমসিম খেতে হয়। এ জন্য অনেক চিন্তা ভাবনা করে দরদাম করে বাজার করতে হয়।”

সবজি বিক্রেতা মোঃ জাকির হোসেন বলেন, “গত বছরের তুলনায় সবজির দাম এ বছর একটু বেশি।” কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, “কিছুদিন আগে বৃষ্টির ফলে সবজি খেত নষ্ট হওয়ায় দাম বেশি রয়েছে। এজন্য বেচা-বিক্রিও কিছুটা কম।”

 

খুলনা গেজেট/এনএম




খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন