চুয়াডাঙ্গা–১ আসনে প্রচারণার সময় জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর বিএনপির নেতাকর্মীদের লাঞ্ছিত ও হয়রানি এবং ভোটারদের হুমকি ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) আলমডাঙ্গা উপজেলার চিৎলা ইউনিয়নের কয়রাডাঙ্গা এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার চিৎলা ইউনিয়নের কয়রাডাঙ্গা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়া নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ২২ জানুয়ারি দুপুর আনুমানিক সাড়ে বারোটার সময় আলমডাঙ্গার চিংলা ইউনিয়নের কয়রাডাঙ্গা এলাকায় জামায়াত মনোনীত চুয়াডাঙ্গা–১ আসনের এমপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেলের পক্ষে কয়েকজন মহিলা নির্বাচনের বিধিমালা অনুযায়ী নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা বাধা প্রদান ও হামলা চালায়। এ সময় তারা ভোটারদের উদ্দেশ্যে হুমকিমূলক ভাষায় কথা বলে এবং প্রকাশ্যে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে কয়রাডাঙ্গা এলাকার মৃত লাল্টুর ছেলে বিপ্লব (৪৫), মো. আক্কাস, ডা. জহুরুল, বিদ্যুৎ, রুবেল, মশিউর রহমান ভেলু।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা ও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোটারদের ভয় দেখায় এবং এলাকাবাসীর স্বাভাবিক চলাচল ও কার্যক্রম ব্যাহত করে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় কয়রাডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা মোছা. ময়না খাতুন নির্বাচন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান এবং যুগ্ম জেলা দায়রা জজ ১ম আদালত চুয়াডাঙ্গার কাছে একটি লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ও শাস্তিমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড যেন পুনরায় না ঘটে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের অনুরোধ জানান।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
খুলনা গেজেট/এএজে

