বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার উজলকুড় ইউনিয়ন ভুমি অফিস লোকবল সংকটের কারনে তিন বছর তালাবদ্ধ রয়েছে। এর ফলে ভুমি সংশ্লিষ্ট কাজে ইউনিয়নবাসী ভোগান্তি পোহাচ্ছে।
জানা গেছে রামপাল উপজেলার ১০ ইউনিয়নের মধ্যে সর্বাধিক জনসংখ্যা রয়েছে উজলকুড় ইউনিয়নে। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এ ইউনিয়নে কোনো ভুমি অফিস নেই। এর ফলে এ ইউনিয়নের মানুষ ১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে গৌরম্ভা ভুমি অফিসে গিয়ে ভুমি সংক্রান্ত কাজ করছে। এতে আসা যাওয়ায় ভোগান্তির পাশাপাশি যাতায়াত ব্যয় বেশি হচ্ছে। তারপরও একদিনে অনেকে কাজ শেষ করতে পারেনা। একাধিকবার আসা যাওয়া করতে হয়।
এ ইউনিয়নের মানুষ দীর্ঘদিনের এ সমস্যা নিরাসনে বিগত ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে ফয়লাহাট বাজারের দক্ষিন প্রান্তে পুরাতন খাদ্য গুদামের পাশে একটি দৃষ্টিনন্দন ভুমি অফিস নির্মান করা হয়। নির্মানের পর প্রায় তিন বছর অফিসটি তালাবদ্ধ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ থাকলেও এ অফিসটি চালুর ব্যপারে উপজেলা প্রশাসনের কোনো ভুমিকা নেই। এর ফলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে উজলকুড় ইউনিয়নবাসী।
স্থানীয় লোকজনের দাবী যতদিন অফিসটির কার্যক্রম পুর্নাঙ্গভাবে চালু না হচ্ছে ততদিন সপ্তাহে অন্তত দুই দিন এ ইউনিয়নের ভুমি সেবা চালু রাখা হোক। তাহলে ভোগান্তি লাঘব হবে তাদের। মো. মনিরুজ্জামান নামের একজন ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা গৌরম্ভা ভুমি অফিসে নিয়মিত বসেন। তিনি গৌরম্ভা ইউনিয়নের পাশাপাশি উজলকুড় ইউনিয়নের ভুমি কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। একই সাথে দুই ইউনিয়নের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি হাঁপিয়ে উঠেছেন।
উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) আফতাব আহমেদ জানান লোকবলের অভাবে ওই ভুমি অফিসটি চালু করতে বিলম্ব হচ্ছে। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে লোকবল নিয়োগ হলেই দ্রুত অফিসটি খুলে দেয়া হবে। আপাতত গৌরম্ভা ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান গৌরম্ভার পাশাপাশি ওই ইউনিয়নের দায়িত্ব পালন করবেন।
খুলনা গেজেট/এসএস