বিশ্ব ফুটবলের মহারণ শুরু হতে আর মাত্র ১৮ দিন বাকি। গ্লোবাল ডিকশনারিতে সবচেয়ে চেনা শব্দগুলোর তালিকা করলে ওপরের দিকেই থাকবে ‘ফুটবল’। আফ্রিকার বিদ্যুৎহীন, অনুন্নত গ্রাম থেকে শুরু করে ফার্স্ট ওয়ার্ল্ডের যে কোনো আধুনিক মেগাসিটি- ভৌগোলিক ও সামাজিক সব ব্যবধান এক নিমিষেই মুছে দিতে পারে এই একটি গোল চামড়ার বল।
প্রথম বিশ্বকাপের আয়োজক হয় ল্যাটিন আমেরিকার দেশ উরুগুয়ে। সেবার প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা থাকায় অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা ছিল মাত্র ১৩। প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাসটি স্বাগতিক দেশ উরুগুয়ের ঝুলিতেই ওঠে। সেবার রানার্সআপ হয় আর্জেন্টিনা।
তারপর ১৯৩৪ সালে ইতালি বিশ্বকাপ ও ১৯৩৮ সালে ফ্রান্স বিশ্বকাপের পর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে ১৯৪২ ও ১৯৪৬ সালে বন্ধ থাকে এই আয়োজন। ১৯৫০ সালে ব্রাজিলে আবারও শুরু হয় বিশ্ব ফুটবলের এই আসর। সেবার ফাইনালে উরুগুয়ের কাছে শিরোপা হারায় স্বাগতিক ব্রাজিল।
১৯৫৮ সালের সুইডেন বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাস চিরতরে বদলে দেয়। মাত্র ১৭ বছর বয়সি এক কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ ফুটবল বিশ্বে পা রাখেন- তিনি পেলে। পেলের জাদুকরী নৈপুণ্যে ব্রাজিল ১৯৫৮, ১৯৬২ এবং ১৯৭০ সালে তিনটি বিশ্বকাপ জিতে চিরদিনের জন্য ‘জুলে রিমে ট্রফি’টি নিজেদের করে নেয়। পরবর্তীতে ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ নামে নতুন ট্রফি তৈরি করে, যা আজ অবধি ব্যবহৃত হচ্ছে। (চলবে)
খুলনা গেজেট/এনএম

