সোমবার । ৯ই মার্চ, ২০২৬ । ২৪শে ফাল্গুন, ১৪৩২

টানা দ্বিতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ভারত

ক্রীড়া প্রতিবেদক

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ক্রিকেটের সবচেয়ে ছোট সংস্করণের শিরোপা জিতল সূর্যকুমার যাদবের দল। ফাইনালে কিউইদের ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছে ঘরের মাঠে খেলা দলটি।

এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ২০২৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছিল ভারত।

আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রান করে ভারত। জবাব দিতে নেমে ১ ওভার বাকি থাকতেই ১৫৯ রানে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড।

প্রথম দল হিসেবে টানা দ্বিতীয়বার ও রেকর্ড তৃতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হলো ভারত। এছাড়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম স্বাগতিক হিসেবেও চ্যাম্পিয়ন হলো দলটি। শ্রীলঙ্কার (২০১২) পর দ্বিতীয় স্বাগতিক হিসেবেই ফাইনাল খেলেছে ভারত।

ভারতের দেয়া ২৫৬ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুর দিকে রান রেট ঠিক থাকলেও নিউজিল্যান্ড উইকেট হারাতে থাকে নিয়মিত বিরতিতে। ৪৭ রানে তৃতীয় উইকেট হারানো দলটি ৭২ রানের মধ্যেই হারিয়ে বসে ৫ উইকেট। ২৬ বলে ৫২ রান করে পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে আউট হন টিম সেইফার্ট। দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহাক শেষ পর্যন্ত তিনিই হন। ষষ্ঠ উইকেটে ড্যারিয়েল মিচেল ও মিচেল স্যান্টনার ৫২ রানের জুটি গড়লেও সেটি জয়ের সম্ভাবনা জাগায়নি।

দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন স্যান্টনার। যদিও তিনি ব্যয় করেছেন ৩৫ বল! ভারতের হয়ে বল হাতে বিধ্বংসী ছিলেন জাসপ্রিত বুমরাহ। ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন তিনি। ৩ ওভারে ২৭ রান খরচায় ৩ উইকেট তুলে নিয়ে সফল অক্ষর প্যাটেলও। একটি করে উইকেট নিয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া, অভিষেক শর্মা ও বরুণ চক্রবর্তী।

এর আগে, এর আগে, নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রানে থামে ভারত। টি-টোয়েন্টিতে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে এটিই সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। এছাড়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।

নিউজিল্যান্ডের বোলারদের ওপর এদিন রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়েছেন ভারতের প্রথম ৩ ব্যাটার। প্রথম তাণ্ডব শুরু করেন বাঁহাতি ওপেনার অভিষেক শর্মা। ১৮ বলে ফিফটি করা এই ক্রিকেটার ফিরে গেছেন তার পরপরই (২১ বলে ৫২)।

এদিন পাওয়ার প্লের ৬ ওভারেই ৯২ রান করে ভারত। এই সময়েই নিজের হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন অভিষেক। মাত্র ১৮ বলেই নিজের অর্ধশতরান তুলে নিয়েছেন তিনি। যেখানে ৬টি চারের সঙ্গে আছে ৩টি ছক্কার মার।

আরেক পাশে স্যামসন অভিষেকের তুলনায় কিছুটা ধীরগতিতে ব্যাট করেছেন। ডানহাতি এই ব্যাটার হাফ সেঞ্চুরি করেছেন ৩৩ বলে। অর্ধশতরান করার পথে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান তিনি। শেষ পর্যন্ত ৪৬ বলে ৫টি চার ও ৮ ছক্কায় ৮৯ রান করেন এই ব্যাটার।

তিনে নামা ইশান কিষাণ এদিনও দেখান নিজের অগ্নিমূর্তি। একের পর এক বোলারদের সীমানার ওপারে আছড়ে ফেলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন ২৩ বলে। ২৫ বলে ৫৪ করে থামেন তিনি।

তবে ১৫ ওভারের পরপরই ভারত দ্রুত উইকেট হারায়। রান তোলায়ও এসময় গতি কমে আসে। সাঞ্জু স্যামসন, ইশান কিষাণদের সঙ্গে আউট হন হার্দিক পান্ডিয়া, সূর্যকুমার যাদবও। তবে শেষদিকে দুবের ৮ বলে ২৬ রানের ক্যামিওতে আড়াই শ পার করে ভারত।

খুলনা গেজেট/এমএনএস




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন