সদ্য সমাপ্ত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে ভারত। তবে আসরে সুবিধাই করতে পারেনি বাংলাদেশের যুবারা। সুপার সিক্সে উঠলেও জুনিয়র টাইগাররা এক ম্যাচ হাতে রেখেই সেমিফাইনালের দৌড় থেকে বাদ পড়ে। এবার ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সেও আলো ছড়াতে পারেননি কেউই। তাই টুর্নামেন্ট সেরা একাদশেও জায়গা হয়নি কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটারের।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। যেখানে ৭ দেশের ক্রিকেটার দিয়ে একাদশ সাজিয়েছেন ইয়ান বিশপ, লিডিয়া গ্রিনওয়ে, অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার ও টেলফোর্ড ভিসের নির্বাচক প্যানেল।
আইসিসির ঘোষিত টুর্নামেন্ট সেরা একাদশে চ্যাম্পিয়ন ভারতের দুজন স্থান পেয়েছেন। তবে সবচেয়ে বেশি ক্রিকেটার রাখা হয়েছে রানার্সআপ ইংল্যান্ড দল থেকে। তাদের তিনজন আছেন এই তালিকায়। সেমিফাইনাল খেলা আফগানিস্তানেরও আছেন দুইজন ক্রিকেটার। এ ছাড়া শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তান থেকে একজন করে ক্রিকেটার রাখা হয়েছে।
ইংল্যান্ডের তিনজন হলেন থমাস রিউ, বেন মায়েস ও মানি লুমসডেন। এদের মধ্যে টুর্নামেন্টের চতুর্থ সর্বোচ্চ রান করা রিউ ১১ সদস্যের দলের অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষকের দায়িত্বও পেয়েছেন। মায়েস করেছেন আসরের সর্বোচ্চ রান। ৭ ম্যাচে তার ৪৪৪ রান এসেছে ৭৪ গড় ও ১১২.৪০ স্ট্রাইকরেটে। আর ১৬ উইকেট নিয়ে মানি লুমসডেন আসরের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি।
ভারতের দুজন বৈভব সূর্যবংশী ও কানিশক চৌহান। ফাইনালে ৮০ বলে ১৭৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলা সূর্যবংশী টুর্নামেন্টে ১৬৯.৪৯ স্ট্রাইকরেটে করেছেন ৪৩৯ রান। সেমিফাইনালে ভারতের কাছে হারা আফগানিস্তানের ফয়সাল খান তৃতীয় সর্বোচ্চ রান করেছেন। আর নুরিস্তানি ওমরজাই নিয়েছেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪ উইকেট।
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেরা একাদশ:
ভাব সূর্যবংশী (ভারত), ভিরান চামুদিথা (শ্রীলঙ্কা), ফয়সাল খান শিনোজাদা (আফগানিস্তান), থমাস রু (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক, ইংল্যান্ড), অলিভার পিক (অস্ট্রেলিয়া), বেন মেয়েস (ইংল্যান্ড), কানিক চৌহান (ভারত), নুরিস্তানি ওমারজাই (আফগানিস্তান), ভাইটেল লস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), আলি রাজা (পাকিস্তান) ও ম্যানি লামসডেন (ইংল্যান্ড)। দ্বাদশ ব্যক্তি: হানিল প্যাটেল (ভারত)।
খুলনা গেজেট / এম এন এস

