২৩-০, ১৮-০, ১৫-০! নারী ফুটবল লিগে একেকটি ম্যাচের রেজাল্ট এগুলো। ফিফা ও এএফসির শর্ত মেনে ১১টি ক্লাব নিয়ে শুরু হওয়া এই লিগে চলছে গোলবন্যা। যেখানে চারটি দল ছাড়া সেভাবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই নেই। চার রাউন্ডে ২০ ম্যাচ শেষ হওয়ার পর এই লিগে গোল সংখ্যা ১৫৭।
এএফসি উইমেন্স লিগ খেলার প্রধান শর্ত মেনে কমপক্ষে একেকটি দলের ১০টি ম্যাচ খেলতে হবে। চ্যাম্পিয়ন দল এএফসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়ন লিগ ও সাফ ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপও খেলতে পারবে। কিন্তু সেই আয়োজন করতে গিয়ে ঢাকার কমলাপুর স্টেডিয়ামে প্রায় প্রতিদিনই মানহীন ফুটবল দেখতে হচ্ছে কোচ পিটার বাটলারকে।
যেখানে এরই মধ্যে তিনটি ডাবল হ্যাটট্রিক আর ১৩টি হ্যাটট্রিক হয়েছে। ডাবল হ্যাটট্রিক করেছেন ফরাশগঞ্জের শামসুন্নাহার জুনিয়র আর মারিয়া মান্দা এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উন্নতি খাতুন। প্রথম রাউন্ড থেকে গোলবন্যার শুরু, তবে চতুর্থ রাউন্ডে এসে যেন সবকিছু ছাপিয়ে গেছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়া পাঁচটি ম্যাচের চারটিতেই সাতটি হ্যাটট্রিক গোলের বন্যা ছুটেছে।
বর্তমান চ্যাম্পিয়ন নাসরিন স্পোর্টস একাডেমির বিপক্ষে আনসার ও ভিডিপির উমেহলা মারমা একাই করেছেন ৫ গোল। ঢাকা রেঞ্জার্সের বিপক্ষে সদ্য পুস্করনীর জান্নাতুল করেছেন চার গোল, সিরাজ স্মৃতি সংসদের বিপক্ষে ফরাশগঞ্জ জিতেছে ৯-০ গোলের ব্যবধানে। সেই ম্যাচে শামসুন্নাহার জুনিয়র চারটি আর মারিয়া মান্দা তিনটি করে গোল করেছেন।
ভুটান লিগে গিয়ে মেয়েরা অনেক গোল করেছিল দেখে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ পিটার বাটলার সেই লিগের মান নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন। ভুটানে ঋতুপর্ণাদের না পাঠানোর ব্যাপারে মত দিয়েছিলেন। চেয়েছিলেন ঘরের মাঠেই ক্লাব ফুটবলে খেলুক তারা। এখন সেই লিগে এমনই গোলবন্যা, যা ভুটানকেও ছাড়িয়ে গেছে।
খুলনা গেজেট/এনএম
