রবিবার । ১৫ই মার্চ, ২০২৬ । ১লা চৈত্র, ১৪৩২

রমজানের শেষ দশকে তওবা ও এস্তেগফার

ড. আবু যুবায়ের

আজ ২৫ রমজান। রহমত ও মাগফিরাতের দশকে শেষে এখন চলছে নাজাতের দশক। আমরা জানি না এই রমজান আবার জীবনে পাবো কী না। জানি না মহান রব্বুল আলামীন আমাদের রোজা, তারাবি, দান-সদকা কবুল করেছেন কিনা।

রোজার শেষ দিনগুলোকে সুযোগ মনে করে মহান আল্লাহর কাছে তওবা, এস্তেগফার করা চাই। পরীক্ষার খাতায় ভুল করে উল্টা-পাল্টা লিখলে, তা আর শুধরানোর কোনো উপায় থাকে থাকে না। কিন্তু সমস্ত আমল উল্টা-পাল্টা করেও আমরা যদি পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে ভুল স্বীকার করে মাফ চাই তাহলে আল্লাহ আমাদেরকে ইনশাআল্লাহ মাফ করে দিবেন। কারণ তিনি তো কারও কাছে জবাবদিহি করবেন না। কেউ তাকে বলার নেই যে, কেন অমুক ব্যক্তিকে মাফ করে দেওয়া হলো। এখন আমাদের উচিত বেশী বেশী তওবা, এস্তেগফার এবং কান্নাকাটি করে আল্লাহর দরবারে ক্ষমা চাওয়া দরকার। আমরা যদি খাঁটি দিলে তওবা করি তাহলে আশা করা যায় পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহ তায়ালা আমাদের গোনাহরাশি ক্ষমা করে দিবেন।

কারণ মহান আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, হে মানব সকল, তোমরা সকলেই আল্লাহর কাছে তওবা কর (আল কুরআন)। অন্য এক আয়াতে মুমিনদের গুণাবলি বর্ণনা করতে গিয়ে আল্লাহ তায়ালা বলেন, তারা তওবাকারী, শুকরগোজার, দুনিয়ার প্রতি নিরাসক্ত, রুকু-সেজদাহ আদায়কারী, সৎকাজের আদেশকারী, মন্দ কাজ থেকে নিষেধকারী এবং আল্লাহর দেওয়া সীমাসমূহের হেফাজতকারী (সূরা তওবা : ১১২)।

অন্যত্র আল্লাহ তায়ালা মুমিনদেরকে উপদেশ দিচ্ছেন, তারা আল্লাহর কাছে কেন তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা করে না? আল্লাহ যে ক্ষমাশীল, দয়ালু (আল মায়েদা : ৭৪)। আমাদের পাপ হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আল্লাহ পাক তো গফুর, গফ্ফার; তিনি মাফ করতে ভালোবাসেন। তাই আমাদের উচিত দিল থেকে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া। আল্লাহ পাক আমাদের সকলের নেক হায়াত বাড়িয়ে দিন এবং আগামী রমজান পর্যন্ত আমাদের সকলকে বাঁচায়ে রাখুন। আমিন।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন