গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কতটা কঠোর হবে এ নিয়ে দাভোসে বিশ্বনেতাদের নজর ছিল সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকেই। এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে দেয়া বক্তব্যে ট্রাম্প জানান, তিনি আর্কটিক অঞ্চলের এই ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে তাৎক্ষণিক আলোচনা চান। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে তিনি অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করবেন না বলেও স্পষ্ট করেন। ইউরোপের দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত থেকেও সরে আসেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিবিসির খবরে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ইউরোপের আটটি মিত্র দেশ তার পরিকল্পনার বিরোধিতা করলে তাদের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। কিন্তু বুধবার সন্ধ্যায় দেয়া এক চমকপ্রদ ঘোষণায় তিনি জানান, এই শুল্ক হুমকি আর কার্যকর থাকছে না এবং সাম্প্রতিক সব শুল্ক-সংক্রান্ত হুমকি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
একই সঙ্গে ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড নিয়ে “ভবিষ্যৎ চুক্তির একটি কাঠামো” ঘোষণা করেন। ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে “খুবই ফলপ্রসূ” বৈঠকের পর এই অগ্রগতির কথা জানান তিনি। ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে তাৎক্ষণিকভাবে বড় উত্থান দেখা যায়, যা ইউরোপীয় মিত্রদের জন্যও কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
তবে এই ঘোষণার পরও অনেক প্রশ্ন রয়ে গেছে। গ্রিনল্যান্ডে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ঠিক কী হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে মিত্র দেশগুলো এখনও অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিবিসির ওয়াশিংটন প্রতিনিধি।
খুলনা গেজেট/এনএম

