দীর্ঘ ১৭ বছর পর যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনকে নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে দেখা উচিৎ বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তারেক রহমানের বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন নিয়ে প্রশ্ন করেন এক ভারতীয় সাংবাদিক। জবাবে মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, ‘বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সমর্থন করে ভারত। এই ঘটনাটিকে (তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন) সেই আলোকেই দেখা উচিৎ।’
এ ছাড়া আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে রণধীর জয়সওয়াল সংক্ষিপ্ত উত্তর করেন। বলেন, ‘বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করে ভারত।’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অব্যাহত বৈরিতা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। আমরা এসবের নিন্দা জানাচ্ছি। একইসঙ্গে অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা হবে প্রত্যাশা করছি।’
তবে গত কয়েকদিনে ভারতের রাজধানী দিল্লিসহ বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশের মিশন এবং ভিসা সেন্টারগুলোকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেননি তিনি।
এদিকে ১৭ বছর পর গত বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। ঢাকার ৩০০ ফিট এলাকায় তার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জড়ো হয় বিএনপির লাখো নেতাকর্মী। তার এই প্রত্যাবর্তন আন্তর্জাতিকভাবে সাড়া ফেলেছে। বিশ্বের শীর্ষ সংবাদমাধ্যমগুলোর বেশ কয়েকটিতে তারেক রহমানকে বাংলাদেশের ‘সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়।
খুলনা গেজেট/এএজে
