মঙ্গলবার । ১৭ই মার্চ, ২০২৬ । ৩রা চৈত্র, ১৪৩২

ঢাবি-জগন্নাথসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি

গেজেট প্রতিবেদন

দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য (ভিসি) পদে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ (রাবি) একাধিক প্রতিষ্ঠানে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চ্যান্সেলর। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলামকে চার বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বর্তমান দায়িত্ব পালনরত অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীবকে পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে তার মূল পদে যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান। অন্যদিকে, এই পদে দায়িত্বরত অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে তাকে সাময়িকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

একই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানের পদত্যাগপত্রও গ্রহণ করা হয়েছে। তাকে তার মূল পদ অধ্যাপক (গ্রেড-১), উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগে যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। তার নিয়োগের পাশাপাশি বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক (অব.) মো. রেজাউল করিমকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য পদে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর আগে এই পদে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব যোগদান না করায় তার নিয়োগটি বাতিল করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সব কটি প্রজ্ঞাপনেই উল্লেখ করা হয়েছে, নবনিযুক্ত উপাচার্যদের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর হবে। তারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিধি অনুযায়ী বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। তবে চ্যান্সেলর প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় এসব নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

খুলনা গেজেট/এএজে




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন