বৃহস্পতিবার । ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ । ১৩ই ফাল্গুন, ১৪৩২
‘আহমদ শফীর মৃত্যু আল্লাহর নির্দেশে’

পিবিআই তদন্ত প্রতিবেদন চিহ্নিত চক্রের শেখানো বুলি : বাবুনগরী

গেজেট ডেস্ক

‘চট্টগ্রাম মেডিক্যাল ছাড়পত্র ও ঢাকা আজগর আলী হাসপাতালের ডেথ সার্টিফিকেটসহ নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণের আলোকে দেশ-বিদেশের সকলের নিকট প্রমাণিত হয়েছে, আল্লামা শাহ আহমদ শফী (রহ.) এর মৃত্যু আল্লাহ তায়া’লার হুকুমে স্বাভাবিক ছিল। তিনি অনেকদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। রোগ বেড়ে যাওয়ায় একাধিকবার তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। সর্বশেষ তিনি মহান রবের ডাকে সাড়া দিয়ে ইন্তেকাল করেছেন।’

হেফাজত ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা শাহ আহমেদ শফীর মত্যুকে অবহেলাজনিত হত্যা উল্লেখ করে তদন্ত সংস্থা পিবিআইয়ের প্রতিবেদনকে ‘ডাহা মিথ্যা বলেছেন’ সংগঠনের বর্তমান আমির জুনায়েদ বাবুনগরী। যাকে পিবিআইয়ের ঐ প্রতিবেদনে আসামি করা হয়েছে।

এতে তিনি বলেন, আল্লামা শফীর মৃত্যু নিয়ে পিবিআই যে রিপোর্ট দিয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। বাস্তবতাবিবর্জিত। আমরা মনে করি এ প্রতিবেদন একটি চিহ্নিত চক্রের শেখানো বুলি। আমরা আমাদের আইনজীবীদের মাধ্যমে আদালতে এ প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি পেশ করব। এ মিথ্যা রিপোর্টের ভিত্তিতে যাদের নামে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে তা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।’

তাকে আসামি করার প্রসঙ্গ টেনে আগে থেকে ১৭ মামলা আসামি বাবুনগরী বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম না এরপরও নতুন করে আমাকেসহ আরো বারোজনকে হয়রানিমূলক অন্তর্ভুক্ত করে প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে। এই মামলা ডাহা মিথ্যে ও হয়রানিমূলক। এর কোনো বাস্তবতা নেই।’

বাবুনগরী তার বিবৃতিতে বলেন, ‘চট্টগ্রাম মেডিকেলের ছাড়পত্র ও ঢাকা আজগর আলী হসপাতালের ডেথ সার্টিফিকেটসহ নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণের আলোকে দেশবিদেশের সকলের নিকট প্রমাণিত হয়েছে, আল্লামা শাহ আহমদ শফী (রহ.) এর মৃত্যু আল্লাহ তায়া’লার হুকুমে স্বাভাবিক ছিল।

‘তিনি অনেকদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। রোগ বেড়ে যাওয়ায় একাধিকবার তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। সর্বশেষ আল্লাহ ইচ্ছায় তিনি মহান রবের ডাকে সাড়া দিয়ে ইন্তেকাল করেছেন।’

বাবুনগরী বলেন, ‘আল্লামা আহমদ শফী এর মৃত্যুর পর তার জ্যেষ্ঠপুত্র মাওলানা ইউসুফ ব্যাখ্যামূলক বিবৃতির মাধ্যমে বাস্তব সত্য মিডিয়ার সামনে তুলে ধরেছেন। তার বাবার মৃত্যু স্বাভাবিক হয়েছিল বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এরপরও আল্লামা আহমদ শফীর মৃত্যুর প্রায় দুই মাস পর দেশের শীর্ষ ওলামায়ে কেরামের নামে মামলা দায়ের হওয়ায় বুঝা যায় এই মামলা কতটা হাস্যকর ও ভিত্তিহীন।’




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন