শেয়ারবাজার কারসাজি

সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন আবার পেছাল

গেজেট প্রতিবেদন

শেয়ারবাজার কারসাজি, জালিয়াতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় পিছিয়েছে। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদনের জন্য নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. শাহাজাহান কবিরের আদালত এই আদেশ দেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় অভিযুক্ত অন্য আসামিরা হলেন—সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক মো. আবুল খায়ের ওরফে হিরু, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজি ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, শিরিন আক্তার, জাভেদ এ মতিন, মো. জাহেদ কামাল, মো. হুমায়ুন কবির ও তানভির নিজাম।

এর আগে গত ২০ মে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় আদালত সময় বাড়িয়েছিলেন। আজ নির্ধারিত দিনেও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আদালত নতুন এই তারিখ ঠিক করেন।

গত বছরের ১৭ জুন ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করে দুদক।

এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। তারা দ্রুত আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ১৭ ধারা লঙ্ঘন করেন।

অভিযোগে আরো বলা হয়, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অনৈতিকভাবে লেনদেন, জুয়া ও গুজবের আশ্রয় নিয়ে বাজার কারসাজি করেছেন। তারা সুনির্দিষ্ট কিছু শেয়ার ক্রমাগত ক্রয়-বিক্রয় করে কৃত্রিমভাবে দর বাড়ান। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রলুব্ধ হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হন। এইভাবে চক্রটি ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ টাকার বেশি রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইনের নামে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছে।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, প্রধান অভিযুক্ত মো. আবুল খায়ের ওরফে হিরুর কারসাজিকৃত প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স ও সোনালী পেপারস লিমিটেডের শেয়ারে সাকিবের বিনিয়োগ ছিল। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে তিনি বাজার কারসাজিতে সরাসরি সহায়তা করেন এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতারিত হতে বাধ্য করেন। এই প্রক্রিয়ায় সাকিব আল হাসান রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইনের নামে ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা তুলে নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন