বুধবার । ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ । ১২ই ফাল্গুন, ১৪৩২

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন স্থগিতের রিট শুনানি রবিবার

গেজেট প্রতিবেদন

জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে যে রিট আবেদন করা হয়েছে, রবিবার (১ মার্চ) সেই রিটে শুনানির দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের দ্বৈত বেঞ্চ শুনানির এদিন ধার্য করেন।

আইনজীবীরা জানিয়েছেন, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রিটটি শুনানিতে উঠেছিল। কিন্তু রিটকারী আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় রাষ্ট্রপক্ষ শুনানি পেছানোর আরজি জানায়।

তখন আদালত শুনানি পিছিয়ে রবিবার শুনানির দিন ধার্য করেন।

জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনূছ আলী আকন্দ। রিটে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন স্থগিত চাওয়া হয়।

গত বছর ১৭ অক্টোবর আতীয় ঐকমত্য কমিশন প্রণীত ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ (৩১ অক্টোবর সংশোধিত)’ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণার পাশাপাশি কেন তা বাতিল করা হবে না, তা জানতে রুল চাওয়া হয়েছে রিটে।

এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, লেজেসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে।

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে দেশের রাজনীতির গুণগত পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়, সেই আকাঙ্ক্ষাকে আইনি ও রাজনৈতিক ভিত্তি দিতেই জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়নের উদ্যোগ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এর জন্য গঠন করা হয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। গত বছর ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজসহ কমিশনের সদস্যরাও জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেন। আর বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ ২৪টি রাজনৈতিক দল আনুষ্ঠানিকভাবে এতে স্বাক্ষর করে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বিএনপির সরকার গঠনের আগের দিন গত ১৬ ফেব্রুয়ারি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এই সনদের আলোকেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় গণভোট।

খুলনা গেজেট/এমএনএস




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন