শুক্রবার । ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ । ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২

গোপালগঞ্জে ৭টি ভোট কেন্দ্রের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জের অন্তত ৬টি স্থানে ভোট কেন্দ্রের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিকট শব্দ হওয়ায় এলাকা জুড়ে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। তবে, এঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। পুরো এলাকা জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত এসব ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে।

কেন্দ্রগুলো হলো, গোপালগঞ্জ পৌরসভার বিণাপানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, রেশমা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ভোট কেন্দ্র, শহীদ মাহবুব আলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, দক্ষিণ রঘুনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মাঝিগাতী ইউনিয়নের মাঝিগাতী হাইস্কুল কেন্দ্র, একই উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে দুর্গাপুর হাই স্কুল কেন্দ্র ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গুয়াদানা বিন্দুবাসিনী উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র।

বুধবার সন্ধ্যা ৭ থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জ-২ ও গোপালগঞ্জ-৩ আসনের এসব কেন্দ্রে একের পর ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় বিকট শব্দের সৃষ্টি হলে এলাকা
জুড়ে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। তবে, এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

খবর পেয়ে এসব ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ আলমত জব্দ করে। এছাড়া সেনাবাহিনী এসব স্থান পরিদর্শন করেছেন। পুরো এলাকা জুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. সরোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন, জেলার ৫ থেকে ৭টি স্থান বা তারও বেশি স্থানে এসব ককটেল বিস্ফোরণ হতে পারে। আতংক সৃষ্টি করতে এসব ঘটনা ঘটনানো হয়েছে। ঘটনার পর পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্তের কাজ চলমান রয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের কায্যালয়ের সামনের সড়কে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

এছাড়া, গত ৩০ জানুয়ারি গোপালগঞ্জ শহরের বেদগ্রাম এলাকায় আনসার ব্যাটাডলিয়ান অফিস কম্পাউন্ডে, গত ২৮ জানুয়ারি গোপালগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারকের বাস ভবনে, ২৬ জানুয়ারী গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের মূল গেটের সামনে এবং গত বছরের ১২ ডিসেম্বর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পর পর কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলেও এখন পয্যান্ত কোন কুল কিনারা পায়নি আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা।

খুলনা গেজেট/এমএনএস




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন